২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ করে নতুন বছরে কোমর বেঁধে নামছে গেরুয়া শিবির। নিউটাউনের ইকো পার্কে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে দিলীপ ঘোষের মন্তব্য এবং কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সফরসূচি ঘিরে এখন সরগরম রাজ্য রাজনীতি।
দীর্ঘদিন দলের মূল স্রোত থেকে কিছুটা দূরে থাকলেও, সম্প্রতি ফের সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। ইকো পার্কে প্রাতঃভ্রমণের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি দলের রণকৌশল স্পষ্ট করেন।
এদিন দিলীপ ঘোষ জানান, “এখন মাননীয় রাজ্য সভাপতি জেলায় জেলায় ঘুরছেন, বিরোধী দলনেতাও সভা করছেন। জানুয়ারি মাসজুড়ে আমাদের সব স্তরের নেতারা প্রতিটি জেলায় কর্মসূচি পালন করবেন। আমরা সাধারণ কর্মী এবং সাধারণ মানুষের একদম কাছে পৌঁছাতে চাই।”
[TECHTARANGA-POST:5926]
জানুয়ারি মাসে পশ্চিমবঙ্গ সফরে আসছেন বিজেপির শীর্ষ তিন নেতা— প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং সর্বভারতীয় সভাপতি জে.পি. নাড্ডা।
আগামী জানুয়ারিতে সিঙ্গুরে এক বিশাল জনসভা করবেন প্রধানমন্ত্রী। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সিঙ্গুর থেকেই কৃষি ও শিল্প নীতির ওপর দাঁড়িয়ে তৃণমূলকে কড়া চ্যালেঞ্জ ছুঁড়বে বিজেপি।
মোদীর সফরের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার সফর দলীয় কর্মীদের মনোবল বাড়াতে বড় ভূমিকা নেবে।
[TECHTARANGA-POST:5924]
সাম্প্রতিক সময়ে দিলীপ ঘোষের ‘মন্ত্রী হওয়া’ সংক্রান্ত মন্তব্য নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। যদিও তিনি সরাসরি কিছু বলেননি, তবে দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতা এবং বর্তমানে যেভাবে তিনি সক্রিয়ভাবে মাঠে নেমেছেন, তাতে রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছেন দিল্লির দরবারে তাঁর গুরুত্ব বাড়ছে। দলে ‘একঘরে’ থাকার জল্পনা উড়িয়ে দিয়ে দিলীপ ঘোষ বুঝিয়ে দিয়েছেন, বঙ্গ বিজেপির পুরনো রণকৌশল আর নতুন উদ্যম—দুই-ই এখন সমান্তরালে চলবে।
Leave a comment