০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home পশ্চিমবঙ্গ কলকাতা কোন যাদুমন্ত্রে মুসলিম প্রধান এলাকায় এগিয়ে বিজেপি? ব্যাখ্যা দিলেন শুভেন্দু!
কলকাতাপশ্চিমবঙ্গ

কোন যাদুমন্ত্রে মুসলিম প্রধান এলাকায় এগিয়ে বিজেপি? ব্যাখ্যা দিলেন শুভেন্দু!

Share
কোন যাদুমন্ত্রে মুসলিম প্রধান এলাকায় এগিয়ে বিজেপি? ব্যাখ্যা দিলেন শুভেন্দু!
সংগৃহীত
Share

কলকাতা: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল স্পষ্ট হতেই রাজ্য রাজনীতিতে এক নতুন সমীকরণ নজরে আসছে। প্রথাগত ধারণা ভেঙে এবার রাজ্যের একাধিক মুসলিম অধ্যুষিত এলাকায় অভাবনীয় ফল করেছে বিজেপি। নির্বাচনী ট্রেন্ডে দেখা যাচ্ছে, সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্ক হিসাবে পরিচিত অঞ্চলগুলিতেও পদ্ম শিবির বেশ শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। এই সাফল্যের নেপথ্য কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এক বড় দাবি করলেন।

[TECHTARANGA-POST:8750]

শুভেন্দু অধিকারীর মতে, মুসলিম ভোটারদের মধ্যে এবার এক স্পষ্ট বিভাজন বা ‘বাইফারকেশন’ দেখা গিয়েছে। তিনি জানান, মুসলিম মহিলাদের একটি বড় অংশ এবার নিঃশব্দে বিজেপিকে সমর্থন করেছেন। মূলত কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্প, বিশেষ করে তিন তালাক রদ এবং জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে করা পদক্ষেপগুলি তাঁদের সিদ্ধান্ত বদলাতে সাহায্য করেছে। শুভেন্দুর দাবি, “সংখ্যালঘু ভাই-বোনেরা এখন বুঝতে পেরেছেন যে তৃণমূল তাঁদের কেবল ভোটব্যাঙ্ক হিসাবে ব্যবহার করেছে। কিন্তু, প্রকৃত উন্নয়ন হয়েছে মোদী সরকারের আমলে।”

[TECHTARANGA-POST:8749]

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন, দুর্নীতি এবং কর্মসংস্থানহীনতার ইস্যুতে সাধারণ মুসলিম যুবকদের মধ্যেও ক্ষোভ তৈরি হয়েছিল। যার প্রতিফলন ঘটেছে ইভিএমে। বিরোধী দলনেতার কথায়, এবার মুসলিম ভোট আর একতরফা নয়, বরং তা ভাগ হয়ে গিয়েছে। বিশেষ করে উত্তরবঙ্গ এবং মালদা-মুর্শিদাবাদের মতো জেলাগুলিতেও যেখানে সংখ্যালঘুদের আধিপত্য, সেখানে বিজেপির এই উত্থান তৃণমূলের জন্য বড় চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়াল।

[TECHTARANGA-POST:8746]

এই নতুন রাজনৈতিক মেরুকরণ কি আগামী দিনে বাংলার রাজনীতির মোড় পুরোপুরি ঘুরিয়ে দেবে? শুভেন্দুর ব্যাখ্যা অন্তত সেই ইঙ্গিতই দিচ্ছে। সংখ্যালঘু এলাকায় বিজেপির এই প্রবেশাধিকারকে ২০২৬-এর সাফল্যের অন্যতম স্তম্ভ হিসেবে দেখছে পদ্ম শিবির।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *