০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home পশ্চিমবঙ্গ কলকাতা বাংলার হিংসা রুখতে এবার ‘ব্রহ্মাস্ত্র’ প্রয়োগ কমিশনের! অভিযুক্তদের জন্য কী কড়া নির্দেশ দিলেন জ্ঞানেশ কুমার?
কলকাতাপশ্চিমবঙ্গপশ্চিমবঙ্গ

বাংলার হিংসা রুখতে এবার ‘ব্রহ্মাস্ত্র’ প্রয়োগ কমিশনের! অভিযুক্তদের জন্য কী কড়া নির্দেশ দিলেন জ্ঞানেশ কুমার?

Share
বাংলার হিংসা রুখতে এবার ‘ব্রহ্মাস্ত্র’ প্রয়োগ কমিশনের! অভিযুক্তদের জন্য কী কড়া নির্দেশ দিলেন জ্ঞানেশ কুমার?
ছবি: সংগৃহীত
Share

নিজস্ব প্রতিনিধি: ভোটের ফল ঘোষণার রেশ কাটতে না কাটতেই উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে বাংলার মাটি। সোমবার রাত থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অশান্তি, ভাঙচুর ও হানাহানির খবর আসতে শুরু করেছে, যা মঙ্গলবারও অব্যাহত। এই অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতিতে আর হাত গুটিয়ে বসে থাকতে রাজি নয় নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের ভোট-পরবর্তী হিংসা দমনে এবার নজিরবিহীন কড়া পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিলেন খোদ দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। তাঁর সাফ নির্দেশ, অশান্তির ঘটনায় অভিযুক্তদের বিন্দুমাত্র রেয়াত নয়, বরং দেখা মাত্রই দ্রুত গ্রেফতার করতে হবে।[TECHTARANGA-POST:8807]

রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি রুখতে ইতিমধ্যেই মুখ্যসচিব দুষ্মন্ত নারিওয়ালা, রাজ্য পুলিশের ডিজি, কলকাতার পুলিশ কমিশনার এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর ডিরেক্টর জেনারেলকে সর্বোচ্চ সতর্কতায় থাকার নির্দেশ দিয়েছেন জ্ঞানেশ কুমার। জেলাশাসক থেকে শুরু করে পুলিশকর্তা— সকলকেই চব্বিশ ঘণ্টা কড়া নজরদারি চালানোর বার্তা দেওয়া হয়েছে। ফল প্রকাশের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ভাঙড়, বারুইপুর, হাওড়া থেকে নানুর— সর্বত্রই ‘সন্ত্রাস’-এর অভিযোগ ঘিরে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। কোথাও তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর চালানো হচ্ছে, আবার কোথাও শাসকদলের কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠছে। এমনকি রাজ্যের দুই প্রান্তে দুই রাজনৈতিক দলের কর্মী খুনের ঘটনায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।

পাল্টা অভিযোগের এই আবহে বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যও সরব হয়েছেন। রাজনীতির রং না দেখে প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তিনি মুখ্যসচিবের কাছে দরবার করেছেন, যদিও তাঁদের দলের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি নেতৃত্ব। তবে রাজনৈতিক চাপানউতোর যাই হোক না কেন, নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে ভোট-পরবর্তী কোনও ঢিলেমি বরদাস্ত করা হবে না। সরাসরি মাঠ পর্যায়ে দ্রুত অ্যাকশন নেওয়ার নির্দেশে এখন প্রশাসনের অন্দরেও তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বাংলার শান্তি ফেরাতে কমিশনের এই ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি শেষ পর্যন্ত কতটা কার্যকর হয়, এখন সেটাই দেখার।


হিডেন স্টোরিজ নিউজ

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *