মধ্যমগ্রাম: শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথ হত্যাকাণ্ডের তদন্তে আরও এক ধাপ এগোল পুলিশ। এই খুনের নীল নকশা ফাঁস করতে মরিয়া সিট-এর সদস্যরা। সেই প্রেক্ষাপটেই এবার উদ্ধার হল হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি বাইক। বুধবার রাতেই আততায়ীদের ফেলে যাওয়া চার চাকার গাড়িটি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল। এবার বাইক উদ্ধার হওয়ায় তদন্তে দ্রুত অগ্রগতি হবে বলেই মনে করা হচ্ছে।
[TECHTARANGA-POST:8851]
প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, বুধবার রাতে মধ্যমগ্রামের দোহাড়িয়ায় চন্দ্রনাথের গাড়ির পথ আটকাতে একটি চার চাকার গাড়ি এবং দু’টি বাইক ব্যবহার করেছিল দুষ্কৃতীরা। গাড়ি দিয়ে রাস্তা আটকে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি চালানোর পর, চার চাকার গাড়িটি অকুস্থলেই ফেলে রেখে বাইকে চেপে চম্পট দেয় খুনিরা। পুলিশ জানিয়েছে, ব্যবহৃত দু’টি বাইকের মধ্যে একটি ইতিমধ্যেই উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে, অন্যটির সন্ধানে তল্লাশি চলছে।
[TECHTARANGA-POST:8840]
রাজ্য পুলিশের ভারপ্রাপ্ত ডিজি সিদ্ধনাথ গুপ্ত আগেই জানিয়েছিলেন, চার চাকার গাড়িটির নম্বর প্লেট শিলিগুড়ির হলেও সেটি ভুয়ো। ঘটনাস্থল থেকে বেশ কিছু কার্তুজ ও গুলির খোল উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা চন্দ্রনাথের গাড়ি এবং বাজেয়াপ্ত হওয়া গাড়ি – দু’টি থেকেই নমুনা সংগ্রহ করেছেন। ফিঙ্গারপ্রিন্ট এবং অন্যান্য বৈজ্ঞানিক তথ্যপ্রমাণ খতিয়ে দেখে আততায়ীদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।
[TECHTARANGA-POST:8767]
তদন্তের গুরুত্ব বিচার করে এদিন সকালে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় সিআইডি আধিকারিকদের একটি বিশেষ দল। যেহেতু এলাকাটি সীমান্তের কাছাকাছি, তাই নিরাপত্তা ও সীমান্ত পারাপারের বিষয়টিও খতিয়ে দেখতে বিএসএফ-এর ডিজি প্রবীণ কুমারও অকুস্থলে যান।
[TECHTARANGA-POST:8810]
আততায়ীরা কি তবে সীমান্ত পেরিয়ে গা ঢাকা দেওয়ার ছক কষেছিল? উদ্ধার হওয়া বাইকটি কার নামে নথিভুক্ত? এই প্রশ্নগুলির উত্তর খুঁজছে সিট। একের পর এক সূত্র মেলায় ঘাতকদের জালে তোলা এখন সময়ের অপেক্ষা বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।
Leave a comment