০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home কলকাতা টোল প্লাজার আগেই গায়েব নম্বর প্লেট, ১ লক্ষের ‘গাড়ি ডিল’: চন্দ্রনাথ রথ খুনে ঝাড়খণ্ড লিঙ্কের বিস্ফোরক পর্দাফাঁস!
কলকাতা

টোল প্লাজার আগেই গায়েব নম্বর প্লেট, ১ লক্ষের ‘গাড়ি ডিল’: চন্দ্রনাথ রথ খুনে ঝাড়খণ্ড লিঙ্কের বিস্ফোরক পর্দাফাঁস!

Share
টোল প্লাজার আগেই গায়েব নম্বর প্লেট, ১ লক্ষের ‘গাড়ি ডিল’: চন্দ্রনাথ রথ খুনে ঝাড়খণ্ড লিঙ্কের বিস্ফোরক পর্দাফাঁস!
ছবি: সংগৃহীত
Share

কলকাতা: শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথ খুনের তদন্তে এবার উঠে এল হাড়হিম করা সব তথ্য। ঝাড়খণ্ড থেকে বারাসত পর্যন্ত বিস্তৃত এই খুনের চক্রান্তের জাল কতটা গভীর, তা ধৃত মায়াঙ্ককে জেরা করে কার্যত স্পষ্ট করল সিবিআই। কেন্দ্রীয় তদন্তকারীদের ম্যারাথন জেরায় মায়াঙ্ক স্বীকার করেছে, স্রেফ একটি নির্দিষ্ট গাড়ি ঝাড়খণ্ড থেকে বারাসতে পৌঁছে দেওয়ার জন্য ১ লক্ষ টাকার রফা হয়েছিল। মধ্যমগ্রামে চন্দ্রনাথ খুনের দিন অভিযুক্তরা যে ‘নিসান মাইক্রা’ গাড়িটি ব্যবহার করেছিল, সেটি নিজেই চালিয়ে এনেছিল মায়াঙ্ক। সিবিআই সূত্রে খবর, এই টানটান অপারেশনের নেপথ্যে রয়েছে ঝাড়খণ্ডের এক রহস্যময় ব্যক্তি, যে এই লক্ষ টাকার বরাত দিয়েছিল এবং বর্তমানে সে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের প্রধান নজরে রয়েছে।

[TECHTARANGA-POST:9142]

তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, অপরাধ ঢাকতে মাঝপথেই বদলে ফেলা হয়েছিল গাড়ির পরিচয়। হাওড়ার নিবেদিতা টোল প্লাজা পার হওয়ার ঠিক কয়েক কিলোমিটার আগে গাড়ি থামিয়ে আসল নম্বর প্লেটটি খুলে ফেলে দেওয়া হয় এবং সেখানে শিলিগুড়ি আরটিও-র নথিভুক্ত একটি জাল নম্বর প্লেট লাগিয়ে দেওয়া হয়। অনলাইনেই টোল ট্যাক্স মিটিয়ে বারাসত ১১ নম্বর রেল গেটের কাছে নির্দিষ্ট জায়গায় গাড়িটি রেখে চম্পট দেয় মায়াঙ্ক। সেখান থেকে বাস ও ক্যাব বদলে সোজা হাওড়া স্টেশন হয়ে ট্রেনে বক্সারে পালিয়ে যায় সে। 

[TECHTARANGA-POST:9141]

বৃহস্পতিবার মায়াঙ্ককে সঙ্গে নিয়ে নিবেদিতা টোল প্লাজা ও বারাসতের সেই নির্দিষ্ট স্থানগুলিতে পুর্ননির্মাণ ও তথ্য সংগ্রহ করেন তদন্তকারীরা। তবে রহস্যের শেষ এখানেই নয়; নিসান মাইক্রা ছাড়াও ঝাড়খণ্ড থেকে আরও তিনজনকে নিয়ে আরেকটি গাড়ি এসেছিল বলে জানতে পেরেছে সিবিআই। ওই তিনজনের সঙ্গে খুনে ধৃত ভিকি বা রাজ সিংয়ের কী সম্পর্ক, নাকি এর নেপথ্যে রয়েছে আরও বড় কোনও সুপারি কিলার চক্র— এখন সেই ধোঁয়াশা কাটানোই সিবিআই-এর কাছে সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *