০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home ভারতবর্ষ ভোজশালা আসলে মন্দিরই! বাতিল মুসলিমদের নমাজের অধিকার, ঐতিহাসিক রায় মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের!
ভারতবর্ষ

ভোজশালা আসলে মন্দিরই! বাতিল মুসলিমদের নমাজের অধিকার, ঐতিহাসিক রায় মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের!

Share
ভোজশালা আসলে মন্দিরই! বাতিল মুসলিমদের নমাজের অধিকার, ঐতিহাসিক রায় মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের!
FILE IMAGE
Share

ধার: দীর্ঘ কয়েক দশকের বিতর্কে ইতি টেনে এক ঐতিহাসিক রায় দিল মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্ট। মধ্যপ্রদেশের ধার জেলায় অবস্থিত বিতর্কিত সৌধ ‘ভোজশালা’ আসলে একটি সরস্বতী মন্দির — এমনটাই জানিয়ে দিল উচ্চ আদালত। এই রায়ের ফলে ২০০৩ সালে ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ (ASI) মুসলিমদের ওখানে প্রার্থনা করার যে অনুমতি দিয়েছিল, তা বাতিল করা হল। এখন থেকে সেখানে উপাসনার পূর্ণ অধিকার পেলেন হিন্দুরা।

[TECHTARANGA-POST:9172]

আদালতের নির্দেশে ভোজশালায় বৈজ্ঞানিক সমীক্ষা চালিয়েছিল এএসআই। সম্প্রতি সেই সমীক্ষার রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়। রিপোর্টে জানানো হয়েছে, সৌধটির ভিতরে হিন্দু স্থাপত্যের অজস্র নিদর্শনের পাশাপাশি ৯৪টি প্রাচীন মূর্তি পাওয়া গিয়েছে। হিন্দু পক্ষের আইনজীবী হরিশংকর জৈন সওয়াল করেছিলেন, এটি রাজা ভোজের তৈরি শতাব্দী প্রাচীন সরস্বতী মন্দির। পুরাতাত্ত্বিক প্রমাণ হাতে পাওয়ার পরই আদালত এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়।

[TECHTARANGA-POST:9169]

হাইকোর্ট তার রায়ে জানিয়েছে, ভোজশালার নিয়ন্ত্রণ এএসআই-এর হাতে থাকলেও সেখানে হিন্দুরা নিয়মিত পুজো করতে পারবেন। অন্যদিকে, মুসলিম পক্ষ যারা সেখানে নমাজ পড়ার দাবি জানিয়ে আসছিল, তাদের অন্যত্র উপাসনার পরামর্শ দিয়েছে আদালত। এই মর্মে মুসলিম পক্ষকে বিকল্প জায়গার জন্য মধ্যপ্রদেশ প্রশাসনের কাছে আবেদন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

[TECHTARANGA-POST:9168]

২০০৩ সাল থেকে জারি থাকা নিয়ম অনুযায়ী, সপ্তাহে দু’দিন দুই ধর্মের মানুষ সেখানে ধর্মীয় আচার পালন করতেন। বাকি দিনগুলিতে সাধারণ প্রবেশের অনুমতি থাকলেও প্রার্থনা নিষিদ্ধ ছিল। ২০২২ সালে হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলি এই নিয়মে বদল চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়। তাদের দাবি ছিল, এটি আসলে একটি পবিত্র হিন্দু মন্দির এবং সেখানে অন্য কোনও ধর্মের আচার পালন চলতে পারে না। আদালতের এই রায় সেই দাবিতেই সিলমোহর দিল।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *