০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home কলকাতা বেআইনি নির্মাণ বিতর্কের মাঝেই অভিষেকের ‘শান্তিনিকেতনে’ কলকাতা পুলিশ!
কলকাতা

বেআইনি নির্মাণ বিতর্কের মাঝেই অভিষেকের ‘শান্তিনিকেতনে’ কলকাতা পুলিশ!

Share
বেআইনি নির্মাণ বিতর্কের মাঝেই অভিষেকের 'শান্তিনিকেতনে' কলকাতা পুলিশ!
ছবি--প্রতীকী
Share

কলকাতা: তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পত্তি এবং তাঁর হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের বাড়ি ‘শান্তিনিকেতন’-এর বেআইনি অংশ ভাঙার নোটিস ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে জল্পনা তুঙ্গে। কলকাতা পুরনিগমের (KMC) দেওয়া নোটিসের বেঁধে দেওয়া সময়সীমা সোমবার অর্থাৎ আজই শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে, গতকালই অভিষেকের তরফে আইনি জবাব দেওয়ার জন্য পুরনিগমের কাছে বাড়তি সময় চেয়ে একটি চিঠি পাঠানো হয়েছিল। আজ সেই আবেদনে সাড়া দিয়ে কলকাতা পুরনিগম তাঁকে আরও ১০ দিন সময় দিয়েছে। কিন্তু, এই স্বস্তির খবরের মাঝেই সোমবার বিকেলে হঠাৎই অভিষেকের হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের বাসভবনে পৌঁছে যায় কলকাতা পুলিশের একটি দল, যা ঘিরে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

[TECHTARANGA-POST:9476]

উল্লেখ্য, গত সোমবারই ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাট রোড এবং হরিশ মুখার্জি রোডের ঠিকানায় জোড়া নোটিস পাঠিয়েছিল কলকাতা পুরনিগম। বাড়ির মূল নকশার বাইরে গিয়ে বাড়তি কোনও নির্মাণ করা হলে, তার জন্য পুরনিগমের আগাম অনুমতি নেওয়া হয়েছিল কিনা — তা স্পষ্ট জানতে চাওয়া হয়েছিল ওই নোটিসে। একইসঙ্গে ‘শান্তিনিকেতন’ আবাসনটির বেআইনি অংশ ভেঙে ফেলারও স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়। পুরনিগম সূত্রে খবর, বর্তমানে অভিষেকের মালিকানাধীন বা তাঁর সঙ্গে যুক্ত প্রায় ১৭টি সম্পত্তি প্রশাসনের কড়া নজরে রয়েছে।

[TECHTARANGA-POST:9475]

দিনকয়েক আগে কালীঘাটে তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক সেরে বেরনোর সময় এই নোটিস প্রসঙ্গে প্রথমবার মুখ খোলেন অভিষেক। গাড়িতে ওঠার সময় সাংবাদিকরা তাঁকে এই বেআইনি নির্মাণ বিতর্ক নিয়ে একের পর এক প্রশ্ন করতে থাকলে প্রথমে তিনি এড়িয়ে যান। কিন্তু, পরে আচমকাই গাড়ির কাচ নামিয়ে অত্যন্ত ক্ষুব্ধ মেজাজে সাংবাদিকদের ধমকের সুরে আঙুল উঁচিয়ে বলেন, “নির্দিষ্ট করে জেনে আসুন বাড়ির কোন অংশটা অবৈধ। তারপর আমাকে প্রশ্ন করুন, উত্তর দেব।”

[TECHTARANGA-POST:9474]

অভিষেকের এই মেজাজ হারানো এবং আঙুল উঁচিয়ে সংবাদমাধ্যমকে হুঁশিয়ারি দেওয়া নিয়ে রাজনৈতিক মহলে তুমুল চর্চা ও সমালোচনা শুরু হয়েছিল। তবে, শেষ পর্যন্ত সুর নরম করতে বাধ্য হলেন তৃণমূলের এই শীর্ষ নেতা। তড়িঘড়ি পুরনিগমের কাছে সময় চেয়ে চিঠি পাঠানো এবং আইনি পথেই বিষয়টি মোকাবিলার এই সিদ্ধান্তকে তাঁর ‘সুর নরম’ করার কৌশল হিসেবেই দেখছেন ওয়াকিবহাল মহল। এর মধ্যেই তাঁর ঠিকানায় কলকাতা পুলিশের আকস্মিক আগমন এই বিতর্ককে কোন মোড় দেয়, এখন সেটাই দেখার।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *