০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home কলকাতা মাঝ সমুদ্র থেকেও খেল খতম শত্রুর! নৌসেনায় ব্রহ্মস-সজ্জিত ৩ নতুন যুদ্ধজাহাজ, ক্ষমতা জানলে কাঁপবে ড্রাগনও
কলকাতাপশ্চিমবঙ্গভ্রমণ

মাঝ সমুদ্র থেকেও খেল খতম শত্রুর! নৌসেনায় ব্রহ্মস-সজ্জিত ৩ নতুন যুদ্ধজাহাজ, ক্ষমতা জানলে কাঁপবে ড্রাগনও

Share
মাঝ সমুদ্র থেকেও খেল খতম শত্রুর! নৌসেনায় ব্রহ্মস-সজ্জিত ৩ নতুন যুদ্ধজাহাজ, ক্ষমতা জানলে কাঁপবে ড্রাগনও
ছবি সংগৃহীত
Share

কলকাতা: ভারতীয় নৌবাহিনীর শক্তি এক ধাক্কায় বেড়ে গেল বহুগুণ, যা দেখে ঘুম উড়তে বাধ্য শত্রুপক্ষের। আন্তর্জাতিক যোগ দিবসে কলকাতায় পা রেখেই দেশের প্রতিরক্ষায় এক ঐতিহাসিক অধ্যায়ের সূচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। 

সরকারি বাসের মারণ ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন ৪ প্রাণ, ময়নাগুড়িতে হাহাকার

কলকাতার শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় বন্দর থেকে সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি তিনটি অত্যাধুনিক যুদ্ধজাহাজ আনুষ্ঠানিক ভাবে নৌসেনার হাতে তুলে দেন তিনি। আইএনএস দুনাগিরি, আইএনএস অগ্রয় এবং আইএনএস সংশোধক নামের এই তিন রণতরী সমুদ্রের বুকে ভারতের অভেদ্য প্রাচীর হয়ে উঠতে চলেছে। জলপথে সাধারণ যুদ্ধ ছাড়াও ডুবোজাহাজ বা সাবমেরিন ধ্বংস এবং হাইড্রোগ্রাফিক জরিপের মতো একাধিক জটিল অপারেশনে এই ত্রয়ী একাই একশো।

[TECHTARANGA-POST:10145]

গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার্স বা জিআরএসই-র তৈরি প্রজেক্ট ১৭এ-এর পঞ্চম ফ্রিগেট আইএনএস দুনাগিরি আসলে সমুদ্রের বুকে এক ভাসমান অগ্নিপিণ্ড। এই যুদ্ধজাহাজের সবচেয়ে বড় ইউএসপি হলো এর মারাত্মক আঘাত হানার ক্ষমতা। মাঝ সমুদ্রের যেকোনো প্রতিকূল পরিস্থিতি থেকেই এটি নিমেষে নিখুঁত নিশানায় ছুড়ে দিতে পারে বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী ‘ব্রহ্মস’ সুপারসনিক ক্রুজ মিসাইল। শুধু তাই নয়, আকাশপথে ধেয়ে আসা শত্রুর বিমান বা ড্রোনকে মাঝপথেই ধ্বংস করতে এতে রয়েছে মাটি থেকে আকাশে মিসাইল ছোড়ার অত্যাধুনিক প্রযুক্তি, যা শত্রুর যেকোনো ব্লু-ওয়াটার নেভিকে গুঁড়িয়ে দিতে সক্ষম।

[TECHTARANGA-POST:10134]

অন্যদিকে, সমুদ্রের গভীরে লুকিয়ে থাকা চোরের মতো সাবমেরিনদের খুঁজে বের করতে ত্রাস হয়ে উঠছে আইএনএস অগ্রয়। অগভীর উপকূলীয় এলাকাতেও লুকিয়ে থাকা সাবমেরিনকে ট্র্যাক করার অদ্ভুত ক্ষমতা রয়েছে এর। স্বয়ংক্রিয় টর্পেডো এবং সাবমেরিন বিধ্বংসী রকেট লঞ্চারে সজ্জিত এই জাহাজ জলের তলায় শত্রুর যেকোনো চক্রান্ত নিমেষে ব্যর্থ করে দেবে। আর এই গোটা রণকৌশলকে নিখুঁত রূপ দিতে ব্যাকএন্ডে থাকছে আইএনএস সংশোধক। প্রায় ৩,৩০০ টন ওজনের এই সমীক্ষা জাহাজটিতে রয়েছে দূরনিয়ন্ত্রিত যান বা আরওভি এবং স্বয়ংক্রিয় ডুবোযান। সমুদ্রের একদম তলদেশের মানচিত্র তৈরি ও দিকনির্দেশক চার্ট বানিয়ে নৌসেনার রণতরীগুলিকে নিরাপদে এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করবে এই আধুনিক জাহাজটি। আত্মনির্ভর ভারতের এই তিন রত্ন এখন ভারতের জলসীমার অতন্দ্র প্রহরী।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *