০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home কলকাতা হাতে মাত্র ৭ দিন! এবার শিয়ালদহ ও সুকান্ত সেতুতে পুরসভার চরম হুঁশিয়ারি, বড় অ্যাকশনের কাউন্টডাউন শুরু
কলকাতাপশ্চিমবঙ্গ

হাতে মাত্র ৭ দিন! এবার শিয়ালদহ ও সুকান্ত সেতুতে পুরসভার চরম হুঁশিয়ারি, বড় অ্যাকশনের কাউন্টডাউন শুরু

Share
হাতে মাত্র ৭ দিন! এবার শিয়ালদহ ও সুকান্ত সেতুতে পুরসভার চরম হুঁশিয়ারি, বড় অ্যাকশনের কাউন্টডাউন শুরু
ছবি সংগৃহীত
Share

কলকাতা: বেআইনি নির্মাণ ও ফুটপাত জবরদখলের বিরুদ্ধে রাজ্যে এবার অল-আউট অভিযানে নেমেছে প্রশাসন। বাংলায় নতুন বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই জবরদখলকারীদের বিরুদ্ধে একের পর এক কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে, যেখানে ইতিপূর্বেই দেখা গিয়েছে একের পর এক বুলডোজার অ্যাকশন। সাধারণ মানুষের হাঁটার অধিকার ফিরিয়ে দিতে এবং যানজট মুক্ত শহর গড়তে তপসিয়া, কসবা, পার্ক সার্কাসের মতো এলাকায় ইতিমধ্যেই গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে একাধিক অবৈধ বহুতল। হাওড়া, দমদমের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনের চারপাশ হকারমুক্ত করার পর এবার কলকাতা পুরসভার নজরে শহরের লাইফলাইন শিয়ালদহ এবং সুকান্ত সেতু। শনিবার পুরসভার তরফে এই দুই অতি গুরুত্বপূর্ণ ফ্লাইওভারের নিচে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে উচ্ছেদের চূড়ান্ত নোটিস। বেঁধে দেওয়া হয়েছে মাত্র এক সপ্তাহের ডেডলাইন।

[TECHTARANGA-POST:10349]

শনিবার কলকাতা পুরসভার তরফ থেকে শহরের উত্তর ও দক্ষিণের দুই ব্যস্ততম ফ্লাইওভারে এই নোটিস সাঁটানো হয়েছে। পুরসভার সাফ নির্দেশ, আগামী ৭ দিনের মধ্যে সেতুর নিচের সমস্ত বেআইনি দখলদারি ও দোকানপাট পুরোপুরি সরিয়ে ফেলতে হবে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যদি এই নির্দেশ পালন করা না হয়, তবে কলকাতা পৌরনিগম আইন, ১৯৮০-র সংশ্লিষ্ট ধারা অনুযায়ী পুরসভা নিজেই বলপ্রয়োগ করে উচ্ছেদ অভিযান চালাবে। যাদবপুর ও সন্তোষপুরের সংযোগকারী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সুকান্ত সেতুর নিচে প্রতিদিন সন্ধ্যায় রমরমিয়ে বসে বাজার, রয়েছে স্থায়ী হকার্স মার্কেটও। অন্যদিকে, শিয়ালদহ স্টেশনের মুখে বিদ্যাপতি সেতুর নিচেও রয়েছে ঝাঁকে ঝাঁকে দোকান এবং মস্ত বড় বাজার। পুরসভার এই নোটিস ঘিরে এখন হকার মহলে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

[TECHTARANGA-POST:10348]

কলকাতা পুরসভার এই মেগা উচ্ছেদ অভিযানের আঁচ শুধু ফ্লাইওভারের নিচেই সীমাবদ্ধ নেই, তা ছড়িয়ে পড়েছে শহরের অন্যান্য এলাকাতেও। গত সপ্তাহেই ঢাকুরিয়া থেকে যাদবপুর স্টেশন লাগোয়া বিশাল বস্তি এলাকা খালি করার জন্য পুরসভার তরফে একই রকম কড়া নোটিস দেওয়া হয়েছে। রেললাইনের ধারে ও সরকারি জমি জবরদখল করে গত কয়েক দশক ধরে সেখানে গড়ে উঠেছে এক সুবিশাল জনবসতি, যেখানে প্রায় ১৫ থেকে ১৬ হাজার মানুষের বাস। দীর্ঘদিন ধরে বেআইনিভাবে জমি দখল করে সেখানে শুধু ঝুপড়িই নয়, গড়ে উঠেছে পাকা দোতলা বাড়িও। এবার সেই সমস্ত অবৈধ কাঠামো ভেঙে জমি পুনরুদ্ধার করতে প্রশাসন চূড়ান্ত ডেডলাইন দিয়ে দেওয়ায় ঘুম উড়েছে দখলকারীদের। শহরের ভোল বদলে সরকারের এই একের পর এক কড়া পদক্ষেপ এখন টক অব দ্য টাউন।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *