০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home পশ্চিমবঙ্গ অসমে মেঘভাঙা বৃষ্টির প্রলয়! জলবন্দি লাখ লাখ, একদিনেই মৃত ২১
পশ্চিমবঙ্গপ্রাকৃতিক দুর্যোগভ্রমণ

অসমে মেঘভাঙা বৃষ্টির প্রলয়! জলবন্দি লাখ লাখ, একদিনেই মৃত ২১

Share
অসমে মেঘভাঙা বৃষ্টির প্রলয়! জলবন্দি লাখ লাখ, একদিনেই মৃত ২১
ছবি সংগৃহীত
Share

গুয়াহাটি: নাগাল্যান্ডে ভয়াবহ মেঘভাঙা বৃষ্টির চরম মাসুল গুণছে প্রতিবেশী রাজ্য অসম। নদীর উফচে আসা জলে রাতারাতি তাসের ঘরের মতো ভেসে গিয়েছে বিস্তীর্ণ জনপদ। পূর্ব ও মধ্য অসমের একাধিক জেলায় পরিস্থিতি এমনই যে ৫০ বছরের মধ্যে এতটা প্রলয়ঙ্করী বন্যা দেখা যায়নি বলে জানাচ্ছেন স্থানীয়রা। শুধুই মঙ্গলবার একদিনে উদ্ধার হয়েছে ২১ জনের দেহ, যা দেখে শিউরে উঠছেন উদ্ধারকারীরা। ইতিমধ্যে প্রায় পৌনে ছয় লাখ মানুষ জলবন্দি হয়ে পড়েছেন, যাদের মধ্যে শিবসাগর, জোরহাট, চরাইদেও এবং কার্বি আংলং জেলার বাসিন্দাদের অবস্থা সবচেয়ে করুণ। মুখ্য প্রশাসনিক রাস্তাগুলি জলের তলায় তলিয়ে যাওয়ায় উদ্ধারকার্য চালাতে চরম বেগ পেতে হচ্ছে আধিকারিকদের।

[TECHTARANGA-POST:11143]

পরিস্থিতিকে ‘অভাবনীয়’ আখ্যা দিয়ে অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা জানিয়েছেন, নাগাল্যান্ডের অবিরাম মেঘভাঙা বৃষ্টির ফলেই জলস্তর সব রেকর্ড ভেঙে উপচে পড়েছে। প্রধানত ব্রহ্মপুত্রের দুই উপনদী দিখৌ ও দেশংয়ের জল আচমকা ভয়াবহ রূপ নেওয়ায় পূর্ব অসমের বুক চিরে প্রলয় বয়ে যাচ্ছে। আমগুড়ি, টিওক, তিতাবড়ের মতো ছোট ছোট শহরগুলি যা এর আগে কোনও দিন বন্যাকবলিত হয়নি, সেগুলিও এখন সম্পূর্ণ জলের তলায়। ঘরবাড়ি ছেড়ে প্রাণ বাঁচাতে উঁচু জায়গায় আশ্রয় নিতে বাধ্য হচ্ছেন হাজার হাজার মানুষ।

“কলেজ স্ট্রিটে আর চলবে না গাড়ি? ‘নো ভেহিক্যাল জোন’ এর বড় পরিকল্পনা জানালেন অগ্নিমিত্রা পাল”

অসম রাজ্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের (ASDMA) সাম্প্রতিক আপডেট অনুযায়ী, রাজ্যের প্রায় ১৬টি জেলা মিলিয়ে অন্তত ৫.৬৪ লক্ষেরও বেশি মানুষ এই জলযন্ত্রণা ভুগছেন। এ পর্যন্ত ১০ হাজারের বেশি গৃহহীনকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া গেলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বেগ পেতে হচ্ছে। সেনা জওয়ানরা ইতিমধ্যেই হেলিকপ্টার ও ড্রোনের মাধ্যমে দুর্গম জলবন্দি এলাকায় ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। সেনাবাহিনীর তৎপরতায় ৫০০-রও বেশি মানুষকে নিরাপদে বের করে আনা হলেও নদীর উফচানো জল যেভাবে বসতি এলাকায় ঢুকছে, তাতে আতঙ্ক ও স্বজন হারানোর হাহাকার নিত্য সঙ্গী হয়ে উঠেছে অসমবাসীর।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *