০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home কলকাতা Durga Puja Controversy:’ধর্মগুরুর অপমান বরদাস্ত নয়!’ ভবানীপুরে বাগেশ্বর বাবার ছবি পোড়ানোয় সিপিকে নির্দেশ শুভেন্দুর, তোলপাড় বিধানসভা?
কলকাতাকলকাতাপশ্চিমবঙ্গরাজনীতি

Durga Puja Controversy:’ধর্মগুরুর অপমান বরদাস্ত নয়!’ ভবানীপুরে বাগেশ্বর বাবার ছবি পোড়ানোয় সিপিকে নির্দেশ শুভেন্দুর, তোলপাড় বিধানসভা?

Share
Durga Puja Controversy:'ধর্মগুরুর অপমান বরদাস্ত নয়!' ভবানীপুরে বাগেশ্বর বাবার ছবি পোড়ানোয় সিপিকে নির্দেশ শুভেন্দুর, তোলপাড় বিধানসভা?
ফাইল ছবি।
Share

কলকাতা: দুর্গাপূজায় আমিষ খাওয়া নিষিদ্ধ করার দাবি তুলে রাজ্যজুড়ে তীব্র বিতর্কের জন্ম দিয়েছিলেন মধ্যপ্রদেশের স্বঘোষিত ধর্মগুরু ধীরেন্দ্র কৃষ্ণ শাস্ত্রী ওরফে বাগেশ্বর বাবা। বাঙালি খাদ্যাভ্যাস ও অস্মিতায় আঘাতের অভিযোগে ভবানীপুর থানায় তাঁর বিরুদ্ধে আইনি অভিযোগ দায়ের হওয়ার পাশাপাশি থানার সামনে তাঁর ছবি ও কুশপুতুল জ্বালিয়ে তুমুল বিক্ষোভ দেখান ক্ষুব্ধ নাগরিকরা। তবে পুজোয় আমিষ বিতর্ক একপাশে সরিয়ে এবার স্বয়ং ধর্মগুরুর ছবি পোড়ানোর ঘটনায় কড়া প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বিধানসভার ফ্লোরে দাঁড়িয়ে প্রকাশ্যেই কলকাতা পুলিশের সিপিকে স্পষ্ট নির্দেশ দিয়ে তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, ভবানীপুর থানার সামনে দাঁড়িয়ে যারা এই ছবি ও কুশপুতুল পুড়িয়েছে, তাদের প্রত্যেককে চিহ্নিত করে অবিলম্বে গ্রেপ্তার করতে হবে।

মুখ্যমন্ত্রী বিধানসভায় বিরোধীদের কড়া বার্তা দিয়ে বলেন, রাজ্যে একজন ধর্মগুরু এসেছিলেন এবং তিনি নিজের ব্যক্তিগত অভিমত ব্যক্ত করেছেন; তা গ্রহণ করা বা না-করা সম্পূর্ণ মানুষের নিজস্ব ব্যাপার, কারণ তিনি কারও ওপর তা জোর করে চাপিয়ে দেননি। কিন্তু সেই মন্তব্যের জের টেনে প্রকাশ্য রাস্তায় ধর্মগুরুর ছবি পোড়ানো একেবারেই আইনবিরুদ্ধ এবং অগ্রহণযোগ্য। তোষণের রাজনীতি করার কারণেই বিরোধী শিবিরের আজ এই শোচনীয় দশা হয়েছে বলে কটাক্ষ হেনে শুভেন্দু দাবি করেন, শাসক শিবিরের আসন সংখ্যা বর্তমানে ২০৭ এবং আসন্ন উপনির্বাচনের পর তা আরও বৃদ্ধি পাবে। একই সঙ্গে আসন্ন রেজিনগর বিধানসভা উপনির্বাচনেও প্রতিপক্ষকে এক ইঞ্চি জমি না ছেড়ে জোরদার লড়াইয়ের হুঙ্কার দিয়েছেন তিনি।

উল্লেখ্য, বঙ্গে এসেই দুর্গাপূজার সময় আমিষ খাওয়া ব্যক্তিদের ‘পাখণ্ডী’ বা ভণ্ড বলে তীব্র কটাক্ষ করেছিলেন বাগেশ্বর বাবা, যা ঘিরে উৎসবের মুখে তুমুল ক্ষোভের সঞ্চার হয়। যদিও বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন যে ভিনরাজ্যের কোনও সাধুর নিদানে বাঙালির ঐতিহ্যবাহী খাদ্যাভ্যাস বদলাবে না এবং সুকান্ত মজুমদার থেকে দিলীপ ঘোষরাও সেই পথেই হেঁটেছিলেন। সরকার বাঙালির খাদ্যাভ্যাসে হস্তক্ষেপ করতে নারাজ হলেও, রাজ্যে আসা কোনও ধর্মগুরুকে প্রকাশ্যে অসম্মান বা তাঁর ছবি পুড়িয়ে অরাজকতা তৈরি করা কোনোভাবেই বরদাস্ত করা হবে না বলেই নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী।

[TECHTARANGA-POST:12498]

হিডেন স্টোরিজ নিউজ

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *