০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home পশ্চিমবঙ্গ Suvendu Adhikari: নেপালে নিখোঁজদের পাশে রাজ্য, নিজের এক মাসের বেতন দিয়ে বড় দৃষ্টান্ত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু!
পশ্চিমবঙ্গ

Suvendu Adhikari: নেপালে নিখোঁজদের পাশে রাজ্য, নিজের এক মাসের বেতন দিয়ে বড় দৃষ্টান্ত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু!

Share
Suvendu Adhikari: নেপালে নিখোঁজদের পাশে রাজ্য, নিজের এক মাসের বেতন দিয়ে বড় দৃষ্টান্ত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু!
ছবি সংগৃহীত
Share

কলকাতা: নেপালের মর্মান্তিক হড়পা বানে নিখোঁজ এ রাজ্যের বাসিন্দাদের পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়াতে বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো নবান্নে। বুধবার নিখোঁজদের স্বজনদের নবান্নে ডেকে এক সংবেদনশীল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। প্রাকৃতিক দুর্যোগে স্বজনহারা ও আর্থিক সংকটে পড়া পরিবারগুলোর প্রতি পূর্ণ সহানুভূতি জানিয়ে সাহায্য করা সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। অর্থাভাবে পড়া একটি পরিবারের দুর্দশার কথা শুনে নিজের পুরো এক মাসের বেতন সেই পরিবারের হাতে তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, এই মাসে তিনি নিজে কোনো সরকারি বেতন গ্রহণ করবেন না, বরং সেই অর্থ সরাসরি পৌঁছে যাবে বিপদে পড়া পরিবারটির কাছে।

বৈঠকে নিখোঁজ পরিবারের বর্তমান আর্থিক পরিস্থিতি নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়। অনুসন্ধানে জানা যায়, নিখোঁজদের অনেকের পরিবারের একমাত্র রোজগেরে সদস্য ছিলেন রাজমিস্ত্রি বা দিনমজুর। তাঁদের হঠাৎ অন্তর্ধানের ফলে পরিবারগুলো চরম অনিশ্চয়তা ও আর্থিক অনটনের মুখে পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াতে স্বল্পমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি— দুই স্তরের একটি সুনির্দিষ্ট সহায়তা পরিকল্পনা তৈরির কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শুধু আর্থিক সাহায্যেই সীমাবদ্ধ না থেকে, পরিবারগুলোর দীর্ঘস্থায়ী সহায়তার স্বার্থে উপার্জনক্ষম ব্যক্তি হারানো পরিবারগুলোর যোগ্য সদস্যদের চাকরির বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করার প্রতিশ্রুতি মিলেছে।

প্রশাসনিক সহায়তায় যাতে কোনো লালফিতের ফাঁস বাধা না হয়ে দাঁড়ায়, তার জন্য একটি নজিরবিহীন প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। নিখোঁজদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে প্রশাসনের ২৪ ঘণ্টা নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ বজায় রাখতে একটি বিশেষ হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ খোলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে প্রতিটি পরিবারের জন্য নির্দিষ্ট করে একজন সিভিক ভলান্টিয়ার এবং একজন স্থানীয় পুলিশকর্মীকে দায়িত্ব দিয়ে যুক্ত রাখা হবে। যেকোনো প্রয়োজনে বা জরুরি পরিস্থিতিতে পরিবারগুলো যেন সরাসরি ওই পুলিশকর্মী ও ভলান্টিয়ারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন, তা নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে যে, প্রাকৃতিক দুর্যোগের এই কঠিন সময়ে রাজ্য কোনো পরিবারকেই একা ছেড়ে দেবে না। সংশ্লিষ্ট পুলিশকর্মী ও সিভিক ভলান্টিয়াররা নিয়মিত ওই স্বজনহারা পরিবারগুলোর বাড়ি গিয়ে খোঁজখবর রাখবেন এবং তাঁদের প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা তদারকি করবেন। দ্রুত নথিপত্র যাচাই ও দীর্ঘমেয়াদি পুনর্বাসনের কাজ শুরু করতে ইতিমধ্যেই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে প্রশাসনিক শীর্ষমহলকে।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *