০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home ভারতবর্ষ দিল্লি EPFO: ১৫ হাজার থেকে বেড়ে ২৫ হাজার! উৎসবের আগেই বেসরকারি কর্মচারীদের জন্য ঐতিহাসিক উপহার কেন্দ্রের
দিল্লিভারতবর্ষ

EPFO: ১৫ হাজার থেকে বেড়ে ২৫ হাজার! উৎসবের আগেই বেসরকারি কর্মচারীদের জন্য ঐতিহাসিক উপহার কেন্দ্রের

Share
EPFO: ১৫ হাজার থেকে বেড়ে ২৫ হাজার! উৎসবের আগেই বেসরকারি কর্মচারীদের জন্য ঐতিহাসিক উপহার কেন্দ্রের
গ্রাফিক্স: হিডেন স্টোরিজ নিউজ
Share

নয়া দিল্লি: উৎসবের আবহে দেশের কোটি কোটি বেসরকারি কর্মচারীদের জন্য বড়সড় জ্যাকপট দিল কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদী সরকার। এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড অর্গানাইজেশন বা ইপিএফও (EPFO)-তে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার বেসিক বেতনের ঊর্ধ্বসীমা এক ধাক্কায় ১০ হাজার টাকা বাড়িয়ে দিল কেন্দ্র। এতদিন পর্যন্ত যেসব বেসরকারি কর্মীর মূল বেতন বা বেসিক পে সর্বোচ্চ ১৫ হাজার টাকা ছিল, কেবল তাঁদেরই বাধ্যতামূলকভাবে ইপিএফ-এর আওতায় আনা হতো। দীর্ঘ প্রায় ১২ বছর পর সেই নিয়মে যুগান্তকারী বদল এনে বেসিক বেতনের সীমা বাড়িয়ে ২৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা।

সরকারের এই মেগা সিদ্ধান্তের ফলে দেশের সংগঠিত ক্ষেত্রের প্রায় ৫১ লক্ষ নতুন বেসরকারি কর্মী রাতারাতি ইপিএফও-এর সুরক্ষাবলয়ের মধ্যে চলে আসবেন। বর্তমানে দেশে সাড়ে সাত কোটির বেশি কর্মী প্রভিডেন্ট ফান্ডের সুবিধে পান। কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের পর এই সংখ্যা এক লাফে অনেকখানি বৃদ্ধি পাবে। ১৯৫২ সালের ‘এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ডস অ‌্যান্ড মিসলেনিয়াস প্রভিশনস অ‌্যাক্ট’ অনুযায়ী চলা এই নিয়মে শেষবার পরিবর্তন আনা হয়েছিল ২০১৪ সালে। দীর্ঘদিন অপরিবর্তিত থাকার পর অবশেষে মহার্ঘতার যুগে কর্মীদের ভবিষ্যৎ সুনিশ্চিত করতে এই বড় পদক্ষেপ নিল কেন্দ্র।

[TECHTARANGA-POST:12676]

নতুন এই নিয়মের ফলে কর্মচারীদের অবসরকালীন সঞ্চয়ের পরিমাণও এক ধাক্কায় অনেকটা বেড়ে যাবে। পূর্বের নিয়ম অনুযায়ী সর্বোচ্চ ১৫ হাজার টাকা বেসিক ধরে তার ওপর ১২.৫ শতাংশ অর্থাৎ ১,৮০০ টাকা কর্মীর বেতন থেকে ইপিএফ-এ জমা হতো এবং সমপরিমাণ অর্থ নিয়োগকারী সংস্থাও প্রদান করতো। কিন্তু নতুন ২৫ হাজার টাকার ঊর্ধ্বসীমা কার্যকর হওয়ায় এখন থেকে প্রতি মাসে পিএফ অ্যাকাউন্টে জমা পড়বে সর্বোচ্চ ৩,২০০ টাকা। সমপরিমাণ টাকা দেবে সংস্থাও। যদিও এর ফলে কর্মীদের ইন-হ্যান্ড বা হাতে পাওয়া চলতি বেতন সামান্য কমতে পারে, তবে দীর্ঘমেয়াদী সঞ্চয়ের স্বার্থে এটি বিরাট লাভজনক হতে চলেছে।

অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, বিগত এক দশকে দেশের বাজার দর ও বেসরকারি কর্মীদের বেতন কাঠামোর আমূল পরিবর্তন ঘটেছে। সেই বাস্তবতাকে মাথায় রেখে এবং দেশের চাকরিজীবীদের অবসরোত্তর জীবনকে সুরক্ষিত করতেই সরকারের এই মাস্টারস্ট্রোক। সরকারের হিসাব অনুযায়ী, এই নতুন পরিকাঠামো বাস্তবায়নে রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে বার্ষিক অতিরিক্ত ১১ হাজার ৩৩৯ কোটি টাকা খরচ হবে। কেন্দ্রের এই পদক্ষেপে স্বাভাবিকভাবেই খুশির হাওয়া নেমে এসেছে দেশের শ্রম ও চাকরিজীবী মহলে।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *