বাংলার বিধানসভা ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হতেই যে লড়াইয়ের দিকে গোটা দেশের নজর ছিল, মঙ্গলবার তাতে সিলমোহর পড়ল। চব্বিশ ঘণ্টা আগেই বিজেপি শুভেন্দু অধিকারীকে ভবানীপুর ও নন্দীগ্রাম— দুই কেন্দ্র থেকেই প্রার্থী ঘোষণা করেছিল। তার পাল্টা হিসেবে এদিন কালীঘাট থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট করে দিলেন, ঘরের মাঠ ভবানীপুর থেকেই তিনি লড়ছেন। লড়াইটা এবার সরাসরি ‘মমতা বনাম শুভেন্দু’।
[TECHTARANGA-POST:7385]
এদিন প্রার্থী তালিকা প্রকাশের সময় শুধু নিজের জয় নয়, বরং গোটা রাজ্যে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার দাবি করেছেন তৃণমূল নেত্রী। মমতার কথায়, “২০২৬-এর ভোটে আমরা ২২৬-এর বেশি আসন পাব। আর ভবানীপুরে আমি অনেক বড় ব্যবধানে জয়ী হব।” ২০২১-এর নন্দীগ্রামের লড়াইয়ে ফলাফল যাই হোক না কেন, ভবানীপুরের উপনির্বাচনে যে রেকর্ড মার্জিনে তিনি জিতেছিলেন, সেই আত্মবিশ্বাসই ধরা পড়ল তাঁর গলায়।
[TECHTARANGA-POST:7376]
কলকাতা পুরসভার ৬৩ থেকে ৮২ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্যে বিস্তৃত এই ভবানীপুর কেন্দ্রটি বরাবরই তৃণমূলের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। যদিও ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনে এখানে বিজেপি লিড পেয়েছিল, তবে ২০২১-এর বিধানসভা ও পরবর্তী উপনির্বাচনে ফের নিজেদের আধিপত্য প্রমাণ করেছিল ঘাসফুল শিবির। এবার শুভেন্দু অধিকারী স্বয়ং প্রার্থী হওয়ায় লড়াই যে এক ইঞ্চি জমিও ছাড়ার নয়, তা স্পষ্ট।
[TECHTARANGA-POST:7372]
একদিকে নন্দীগ্রামের ‘বদলা’ নেওয়ার হাতছানি, অন্যদিকে নিজের খাসতালুক রক্ষা— মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সামনে এখন দ্বিমুখী লড়াই। শুভেন্দু বনাম মমতার এই দ্বৈরথ কি ভবানীপুরের রাজনৈতিক ইতিহাস বদলে দেবে? না কি ঘরের মেয়ে মমতাতেই ফের ভরসা রাখবে তাঁর পাড়া? উত্তরের অপেক্ষায় গোটা বাংলা।
Leave a comment