০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home ভারতবর্ষ বিনোদন অটোগ্রাফ নিতে আসা সেই রোগা ছেলেটিই ছিলেন হৃদস্পন্দন, সুরের ওপারে কি আবার দেখা হলো আশা-পঞ্চমের?
বিনোদনভারতবর্ষসোশ্যাল মিডিয়া

অটোগ্রাফ নিতে আসা সেই রোগা ছেলেটিই ছিলেন হৃদস্পন্দন, সুরের ওপারে কি আবার দেখা হলো আশা-পঞ্চমের?

Share
Share

নিজস্ব প্রতিনিধি: সুরের সম্রাজ্ঞী আশা ভোঁসলের প্রয়াণে ভারতীয় সংগীতের এক স্বর্ণযুগের অবসান হলো। কিন্তু তাঁর নাম উচ্চারিত হলে অবধারিতভাবে যাঁর নাম ছায়ার মতো পাশে এসে দাঁড়ায়, তিনি হলেন কিংবদন্তি সুরকার রাহুল দেব বর্মন বা আমাদের প্রিয় ‘পঞ্চম’। আজ আশাজির প্রয়াণে অনুরাগী ও সমসাময়িক শিল্পীদের স্মৃতিতে বারবার ফিরে আসছে তাঁদের সেই রূপকথার মতো প্রেমকাহিনি, যা টক্কর দিতে পারে যে কোনও বলিউড সিনেমাকে।

[TECHTARANGA-POST:7955]

প্রথম দেখার গল্পটা ছিল বেশ অদ্ভুত। এক রোগাটে, মোটা চশমার তরুণ অটোগ্রাফ চাইতে এসেছিলেন জনপ্রিয় গায়িকার কাছে। জানিয়েছিলেন, রেডিওতে শোনা তাঁর মারাঠি নাট্যসংগীতের তিনি অন্ধ ভক্ত। সেই ছেলেই যে পরে ভারতীয় সংগীতের মোড় ঘুরিয়ে দেবেন, তা কে জানত! দু’জনেরই ব্যক্তিগত জীবনে আগে ঝড় বয়ে গিয়েছিল। কিন্তু ১৯৮০ সালে সমস্ত বাধা পেরিয়ে একে অপরের হাত ধরেন তাঁরা। সেই শুরু এক অমর জুটির পথচলা।

[TECHTARANGA-POST:7940]

আশাজি একবার সাক্ষাৎকারে মজার ছলে বলেছিলেন, রাহুল নাকি তাঁর পিছু ছাড়তেন না। সুরের নেশাই তাঁদের মিলিয়ে দিয়েছিল। তাঁদের যুগলবন্দিতে তৈরি হয়েছে একের পর এক কালজয়ী গান। একে অপরের প্রতি টান এতটাই গভীর ছিল যে, আশির দশকের শেষ দিকে কিছুটা দূরত্ব তৈরি হলেও শ্রদ্ধা কমেনি এক বিন্দু। ১৯৯৪ সালে পঞ্চমের বিদায়বেলায় ভেঙে পড়েছিলেন আশা। আজ তাঁর প্রয়াণের খবরে অনুরাগীরা বলছেন, হয়তো সুরের ওপারেই আবার দেখা হলো এই অমর জুটির।

[TECHTARANGA-POST:7930]

সংগীত জীবনে জাতীয় পুরস্কার থেকে আন্তর্জাতিক সম্মান— কী পাননি তিনি? কিন্তু তাঁর হৃদয়ের একটা বড় অংশ জুড়ে চিরকাল থেকে গিয়েছেন সেই মানুষটি, যিনি হিরে-জহরত নয়, গানের রেকর্ডকেই মনে করতেন শ্রেষ্ঠ সম্পদ। আশা-পঞ্চমের সেই সুরের সফর আজ শেষ হলো বটে, কিন্তু তাঁদের সৃষ্টি বেঁচে থাকবে অনন্তকাল।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *