০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home পশ্চিমবঙ্গ ১৫টি বুথে পুনর্নির্বাচন: বেলা ১১টা পর্যন্ত ভোট পড়ল ৩৬.৯৯ শতাংশ
পশ্চিমবঙ্গ

১৫টি বুথে পুনর্নির্বাচন: বেলা ১১টা পর্যন্ত ভোট পড়ল ৩৬.৯৯ শতাংশ

Share
১৫টি বুথে পুনর্নির্বাচন: বেলা ১১টা পর্যন্ত ভোট পড়ল ৩৬.৯৯ শতাংশ
ছবি সংগৃহীত
Share

ডায়মন্ড হারবার: কড়া নিরাপত্তা আর কেন্দ্রীয় বাহিনীর পাহারায় শনিবার সকাল ৭টা থেকে শুরু হয়েছে পুনর্নির্বাচন। দ্বিতীয় দফার ভোট মিটতেই একের পর এক বিস্ফোরক অভিযোগ ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল দক্ষিণ ২৪ পরগনার দুই কেন্দ্র – মগরাহাট পশ্চিম এবং ডায়মন্ড হারবার। ইভিএমে আতর লাগানো থেকে শুরু করে ভোটারের পকেটে স্পাই ক্যামেরা – কমিশনের কাছে জমা পড়া অভিযোগের তালিকা ছিল দীর্ঘ। আজ সেই সমস্ত বিতর্কিত বুথেই ফের চলছে প্রার্থীদের ভাগ্যপরীক্ষা।

[TECHTARANGA-POST:8670]

এদিন সকাল থেকেই ভোটারদের লম্বা লাইন লক্ষ করা গেছে বুথগুলিতে। নির্বাচন কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বেলা ১১টা পর্যন্ত ভোটদানের হারে ডায়মন্ড হারবারকে টেক্কা দিচ্ছে মগরাহাট পশ্চিম। যেমন – 

মগরাহাট পশ্চিম: ১১টি বুথে ভোট পড়েছে ৩৮.২ শতাংশ।

ডায়মন্ড হারবার: ৪টি বুথে ভোট পড়েছে ৩৫.৯২ শতাংশ।

সামগ্রিক হার: দুই কেন্দ্র মিলিয়ে গড় ভোটদানের হার ৩৬.৯৯ শতাংশ।

[TECHTARANGA-POST:8669]

উল্লেখ্য, দ্বিতীয় দফার ভোট মিটতেই দক্ষিণ ২৪ পরগনার চারটি বিধানসভা কেন্দ্র থেকে মোট ৭৭টি বুথে পুনর্নির্বাচনের দাবি ওঠে। অভিযোগের ধরন দেখে তাজ্জব বনে গেছেন খোদ আধিকারিকরা। কোথাও ইভিএমের বোতামে সেলোটেপ মেরে রাখা, কোথাও আবার ক্যামেরায় রুমাল চাপা দেওয়ার মতো ঘটনা সামনে এসেছে। এমনকী, ভোটার কাকে ভোট দিচ্ছেন তা জানতে পকেটে লুকানো ‘স্পাই ক্যামেরা’ ব্যবহারের গুরুতর অভিযোগও জমা পড়ে মগরাহাট পশ্চিম থেকে!

[TECHTARANGA-POST:8668]

অন্যদিকে, বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত এলাকা পরিদর্শন করে ফলতার ৩০টি বুথে পুনর্নির্বাচনের প্রস্তাব দিলেও, শেষ পর্যন্ত মগরাহাটের ১১টি এবং ডায়মন্ড হারবারের চারটি বুথেই ভোটগ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয় কমিশন। ফলতায় কেন ফের ভোট হল না, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে রাজনৈতিক দলগুলি। সেইসঙ্গে, উত্তরপ্রদেশের ‘সিংহম’ আইপিএস অফিসারের নজরদারির পরেও কেন ১৫টি বুথে আজ ফের বুথমুখী হতে হল ভোটারদের, সেই নিয়েও শাসক-বিরোধী তরজা এখন তুঙ্গে।

[TECHTARANGA-POST:8667]

তবে, সমস্ত বিতর্কের মাঝেও স্বস্তির খবর এই যে – সকাল থেকে এখনও পর্যন্ত কোথাও কোনও বড়সড় অশান্তির খবর পাওয়া যায়নি। শান্তিপূর্ণভাবেই চলছে গণতন্ত্রের এই উৎসব।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *