০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home পশ্চিমবঙ্গ আইন-কানুন সুরক্ষায় বড় পদক্ষেপ: উন্মুক্ত সীমান্ত অতীত হতে চলেছে মেখলিগঞ্জে
আইন-কানুনপশ্চিমবঙ্গ

সুরক্ষায় বড় পদক্ষেপ: উন্মুক্ত সীমান্ত অতীত হতে চলেছে মেখলিগঞ্জে

Share
সুরক্ষায় বড় পদক্ষেপ: উন্মুক্ত সীমান্ত অতীত হতে চলেছে মেখলিগঞ্জে
ছবি--প্রতীকী
Share

মেখলিগঞ্জ: সীমান্ত সুরক্ষায় এবার ঐতিহাসিক পদক্ষেপ নিল প্রশাসন। দীর্ঘদিনের দাবি মেনে কোচবিহারের মেখলিগঞ্জ ব্লকের খোলা সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া বসাতে বিএসএফ-এর হাতে তুলে দেওয়া হলো ১৮৫ একর জমি। সীমান্ত নিরাপত্তা আরও সুনিশ্চিত করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে খবর। বিএসএফ ও জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, কোচবিহার জেলায় প্রায় পঞ্চাশ কিলোমিটার সীমান্ত এলাকা এখনও কাঁটাতারের বেষ্টনীর বাইরে ছিল। এবার সেই ফাঁকফোকর বন্ধ করে সীমান্তকে সুরক্ষিত করতে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় জমি হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শেষ করা হয়েছে।

[TECHTARANGA-POST:10876]

প্রশাসন সূত্রে খবর, কোচবিহার জেলায় মোট ২৪০ একর জমির প্রয়োজন ছিল কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের জন্য। এর মধ্যে মেখলিগঞ্জ ব্লকেই সবচেয়ে বেশি, প্রায় ১৪৮ একর জমির আবেদন জানানো হয়েছিল। দিনহাটা ২ নম্বর ব্লকেও প্রায় ৫০ একর জমি চেয়েছে বিএসএফ। মাথাভাঙা ও তুফানগঞ্জ মহকুমাতেও জমি চিহ্নিতকরণের কাজ ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। বিএসএফ-এর চাহিদা অনুযায়ী, ৪০ একর সরকারি জমি হস্তান্তরে কোনো জটিলতা না থাকায় তা দ্রুত তুলে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, বেসরকারি মালিকানাধীন প্রথম ধাপে ৪২ একর এবং পরবর্তীতে আরও ১০৩ একর জমি জেলা প্রশাসন বিএসএফ-এর হাতে তুলে দিয়েছে। অর্থাৎ, সব মিলিয়ে প্রায় ১৮৫ একর জমি এখন বিএসএফ-এর দখলে।

[TECHTARANGA-POST:10861]

তবে কাজের পরিধি আরও বাড়াতে নতুন করে বিএসএফ-এর পক্ষ থেকে আরও ৫৩ একর জমির আবেদন করা হয়েছে। সেই জমির জরিপ করার কাজ ইতিমধ্যেই শুরু করে দিয়েছে প্রশাসন। সব মিলিয়ে প্রায় ১০৮ একর জমি এখনও হস্তান্তর বাকি রয়েছে। প্রশাসনিক আধিকারিকদের কথায়, আগামী এক মাসের মধ্যেই বাকি জমি হস্তান্তরের কাজ সম্পূর্ণ করে ফেলা হবে। উল্লেখ্য, কোচবিহারের এই খোলা সীমান্তের একটি বড় অংশ নদীপথের হওয়ায় সেখানে বিকল্প সুরক্ষার পরিকল্পনা নিয়েছে বিএসএফ। কিন্তু যে সমস্ত স্থলপথ এখনও অরক্ষিত, সেখানে দ্রুত কাঁটাতারের বেড়া দিতেই এই বড় মাপের জমি অধিগ্রহণ করা হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের মতে, এই বেড়া নির্মাণের কাজ শেষ হলে সীমান্তে অনুপ্রবেশ ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসবে, যা সীমান্তবর্তী জনপদগুলোকে আরও নিরাপদ করে তুলবে।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *