০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home পশ্চিমবঙ্গ কেন্দ্র বলেছিল মামলা নয়, তবুও জেলে বাংলাদেশি হিন্দু পরিবার—শেষমেশ আদালতের হস্তক্ষেপে মুক্তি!
পশ্চিমবঙ্গ

কেন্দ্র বলেছিল মামলা নয়, তবুও জেলে বাংলাদেশি হিন্দু পরিবার—শেষমেশ আদালতের হস্তক্ষেপে মুক্তি!

Share
Share

কলকাতা: বাংলাদেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর লাগাতার অত্যাচারের জেরে প্রাণ বাঁচাতে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে আশ্রয় নিয়েছিলেন এক হিন্দু পরিবার। প্রাণ বাঁচাতে ২০২৪ সালের আগস্টে বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতে পালিয়ে আসে একটি বাংলাদেশি হিন্দু পরিবার। কিন্তু নিরাপত্তার আশায় আসা সেই পরিবারকেই সুন্দরবন এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে Foreigners Act-এ মামলা দিয়ে জেলে পাঠানো হয়।

[TECHTARANGA-POST:5929]

গত ০১/০৯/২০২৫ তারিখে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিজ্ঞপ্তি জারি করে। সেখানে স্পষ্ট বলা হয়:

যে সমস্ত বাংলাদেশি হিন্দু বা সংখ্যালঘু মানুষ ধর্মীয় উৎপীড়নের কারণে ৩১/১২/২০২৪-এর মধ্যে ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে ‘ফরেনার্স অ্যাক্ট’ (Foreigners Act) অনুযায়ী কোনো ফৌজদারি মামলা করা যাবে না।

সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠেছে এখানে—

যখন ভারতের Ministry of Home Affairs (HMO) স্পষ্ট নোটিফিকেশন জারি করে জানিয়েছিল, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪-এর মধ্যে ভারতে আসা কোনও বাংলাদেশি হিন্দুর বিরুদ্ধে Foreigners Act প্রযোজ্য হবে না, তখন কেন ওই পরিবারকে জেলে আটকে রাখা হল?

[TECHTARANGA-POST:5935]

এই রক্ষাকবচ থাকা সত্ত্বেও ওই পরিবারটিকে কেন জেলে আটকে রাখা হয়েছিল, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। বিজেপি লিগ্যাল সেলের সহ-আহ্বায়ক আইনজীবী তরুণজ্যোতি তিওয়ারি এই মামলাটি লড়েন এবং আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন যে, কেন্দ্রীয় আইনের সুবিধা পেতে এই পরিবারটি সম্পূর্ণভাবে যোগ্য।

আইনজীবী তরুণজ্যোতি তিওয়ারির সওয়ালের পর বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত পরিবারটির জামিন মঞ্জুর করেন। রাজনৈতিক মহলের মতে, এই রায় পশ্চিমবঙ্গ সরকারের প্রশাসনের ওপর এক বড় চাপ তৈরি করল। অভিযোগ উঠছে, কেন্দ্রীয় বিজ্ঞপ্তি থাকা সত্ত্বেও রাজ্য পুলিশ কেন তাঁদের আটকে রেখেছিল?

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *