০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home পশ্চিমবঙ্গ বাংলায় কথা বলাই কি ‘অপরাধ’? মহারাষ্ট্রে মুর্শিদাবাদের পরিযায়ী শ্রমিকদের চরম হেনস্থা
পশ্চিমবঙ্গ

বাংলায় কথা বলাই কি ‘অপরাধ’? মহারাষ্ট্রে মুর্শিদাবাদের পরিযায়ী শ্রমিকদের চরম হেনস্থা

Share
Share

ভিন রাজ্যে কাজ করতে গিয়ে ফের চরম হেনস্থার শিকার বাংলার শ্রমিকরা। এবার ঘটনাস্থল মহারাষ্ট্র। অভিযোগ, শুধুমাত্র বাংলায় কথা বলার ‘অপরাধে’ বাংলাদেশি সন্দেহে মুর্শিদাবাদের পাঁচ পরিযায়ী শ্রমিককে বেধড়ক মারধর ও আটক করেছে মহারাষ্ট্র পুলিশ। কেড়ে নেওয়া হয়েছে তাদের আধার কার্ড, ভোটার কার্ড ও মোবাইল ফোনও। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বর্তমানে উত্তাল মুর্শিদাবাদের সাগরপাড়া।

[TECHTARANGA-POST:6232]

মুর্শিদাবাদের সাগরপাড়া থানার অন্তর্গত ওই পাঁচ যুবক রাজমিস্ত্রির কাজ করতে মহারাষ্ট্রের নেভিনগর এলাকায় গিয়েছিলেন। তারা সেখানে একটি ভাড়া বাড়িতে থাকতেন। পরিবারের অভিযোগ। স্থানীয় পুলিশ শুধুমাত্র বাংলা ভাষায় কথা বলার কারণে তাদের ‘বাংলাদেশি’ বলে সন্দেহ করে। অভিযোগ, নির্দিষ্ট সময়ে থানায় হাজিরা দেওয়ার পরেও রাতে ঘর থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে তাদের বেধড়ক মারধর করা হয়। পুলিশ তাদের বৈধ ভারতীয় পরিচয়পত্র (আধার ও ভোটার কার্ড) এবং ব্যক্তিগত মোবাইল ফোন কেড়ে নেয়। ফলে পরিবারের সাথে তাদের যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।

[TECHTARANGA-POST:6212]

সন্তানদের এই দশার কথা শুনে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে সাগরপাড়ার পরিবারগুলো। রবিবার তারা স্থানীয় সাগরপাড়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তাদের দাবি— অবিলম্বে ওই পাঁচ শ্রমিককে সুস্থ অবস্থায় মুক্তি দেওয়া হোক এবং তাদের কেড়ে নেওয়া নথিপত্র ফেরত দেওয়া হোক।

ঘটনাটি জানাজানি হতেই তৎপর হন বহরমপুরের প্রাক্তন সাংসদ অধীর চৌধুরী। তিনি জানিয়েছেন, খবর পাওয়া মাত্রই তিনি মহারাষ্ট্রের পুলিশ প্রশাসন অর্থাৎ সংশ্লিষ্ট এলাকার SP, IG এবং DIG-এর সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন। শ্রমিকদের মুক্তির বিষয়ে জোর দাবি জানানোর পর খবর আসছে যে, ইতিমধ্যেই তাদের পুলিশি হেফাজত থেকে ছাড়ানো সম্ভব হয়েছে।

এই ঘটনার পর মূলত দুটি প্রশ্ন বড় হয়ে দাঁড়িয়েছে— ভিন রাজ্যে বাংলায় কথা বললেই কি কপালে জুটবে ‘বাংলাদেশি’ তকমা? নাকি ভিন রাজ্যে কাজ করতে যাওয়া পশ্চিমবঙ্গের পরিযায়ী শ্রমিকদের নূন্যতম নিরাপত্তা আসলে কোথায়?

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *