০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home উত্তর প্রদেশ বাবরী মসজিদ নিয়ে ফের বার্তা যোগীর
উত্তর প্রদেশভারতবর্ষ

বাবরী মসজিদ নিয়ে ফের বার্তা যোগীর

Share
Share

কলকাতা: রামমন্দির ও বাবরি কাঠামো ইস্যুতে আরও একবার কঠোর ও স্পষ্ট অবস্থান নিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। বারাবাঁকির এক জনসভা থেকে তাঁর বক্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে উত্তাপ ছড়ানোর আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

[TECHTARANGA-POST:6416]

জনসভায় ভাষণ দিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী সাফ জানিয়ে দেন, অযোধ্যা-য় যেখানে আজ রামমন্দির দাঁড়িয়ে রয়েছে, সেখানে আর কোনও কাঠামো গড়ার প্রশ্নই ওঠে না। কড়া সুরে তাঁর ঘোষণা, “কেয়ামত পর্যন্তও বাবরি কাঠামো পুনর্নির্মাণ করা হবে না।”

রামমন্দির নির্মাণ প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “জনগণের কাছে যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, সরকার তা পূরণ করেছে। আমরা বলেছিলাম—রামলালা যেখানে ছিলেন, সেখানেই মন্দির হবে। আজ সেই মন্দির বাস্তব। এই মন্দির কোটি কোটি ভক্তের বিশ্বাস, আস্থা এবং ভারতীয় সংস্কৃতির গৌরবের প্রতীক।”

তিনি আরও বলেন, “যাঁরা বাবরি কাঠামো ফেরানোর স্বপ্ন দেখছেন, তাঁরা কোনও দিন সেই স্বপ্ন পূরণ হতে দেখবেন না। রাম সকলের, কিন্তু কিছু সুবিধাবাদী মানুষ নিজেদের স্বার্থে তাঁকে ভুলে যায়। রামমন্দির শুধুই একটি ধর্মীয় স্থাপনা নয়—এটি ভারতের চিরন্তন ঐতিহ্য ও সনাতন সংস্কৃতির প্রতীক।”

আইনশৃঙ্খলা প্রসঙ্গে যোগীর বক্তব্য ছিল আরও কঠোর। তিনি বলেন, “যাঁরা আইন ভেঙে স্বর্গে যাওয়ার স্বপ্ন দেখেন, তাঁদের স্বপ্ন কোনও দিন পূরণ হবে না। সরকার যা বলে, তাই করে। আইন ভাঙলে এমন শিক্ষা দেওয়া হবে, যা সাত প্রজন্ম মনে রাখবে।”

একই সঙ্গে তাঁর হুঁশিয়ারি, “যাঁরা রামভক্তদের উপর গুলি চালায় বা রামের কাজে বাধা দেয়, তাঁদের জন্য সমাজে কোনও জায়গা নেই।”

২০১৭ সালের আগের পরিস্থিতির কথা টেনে এনে মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন,  “তখন রাজ্যে প্রায়শই দাঙ্গা, কার্ফু আর নিরাপত্তাহীনতার ছবি দেখা যেত। নারী, ব্যবসায়ী, কৃষক—কেউই নিরাপদ ছিলেন না। মন্দির, স্কুল, এমনকি বাড়িঘরও সুরক্ষিত ছিল না। আজ সেই পরিস্থিতি বদলেছে। আইনশৃঙ্খলা শক্ত হয়েছে, রাজ্যে নিরাপত্তার পরিবেশ ফিরে এসেছে।”

[TECHTARANGA-POST:6413]

সব মিলিয়ে, রামমন্দির প্রসঙ্গে যোগী আদিত্যনাথের এই কড়া বার্তা শুধু ধর্মীয় আবেগ নয়, রাজনৈতিক মেরুকরণও আরও তীব্র করতে পারে—এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকেরা।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *