০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home পশ্চিমবঙ্গ ‘হয় কবুল বলুন, নয়তো তালাক!’— আলিমুদ্দিনের নীরবতায় বিস্ফোরক প্রতীক-উর, তুঙ্গে দলত্যাগের জল্পনা
পশ্চিমবঙ্গ

‘হয় কবুল বলুন, নয়তো তালাক!’— আলিমুদ্দিনের নীরবতায় বিস্ফোরক প্রতীক-উর, তুঙ্গে দলত্যাগের জল্পনা

Share
Share

একদা যাঁকে দলের ‘অ্যাসেট’ বলে মনে করা হতো, সেই তরুণ তুর্কি প্রতীক-উর রহমান এখন সিপিএমের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করতে মরিয়া। দল ছাড়ার চিঠি দেওয়ার পর দলের রাজ্য নেতৃত্বের নীরবতা নিয়ে এবার চাঁচাছোলা ভাষায় আক্রমণ শানালেন তিনি। সাফ জানালেন, “হয় বলুন কবুল কবুল কবুল, নয়তো বলে দিন তালাক তালাক তালাক!”

সূত্রের খবর, প্রতীক-উরের মান ভাঙাতে খোদ বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু তাঁকে ফোন করেছিলেন। প্রবীণ জননেতাকে শ্রদ্ধার সঙ্গে প্রতীক জানিয়েছেন, “আপনার যে কোনো কথা আমার কাছে আদেশ, কিন্তু এই অবস্থায় আমি আপনার মুখোমুখি হতে পারব না।” অর্থাৎ, বিমান বসুর মতো ব্যক্তিত্বের হস্তক্ষেপের পরেও যে পরিস্থিতির কোনো বদল হয়নি, তা এখন স্পষ্ট।

দলের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিমের নীরবতা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন প্রতীক। তাঁর অভিযোগ, রাজ্য সম্পাদক অন্য নেতাদের দিয়ে ফোন করাচ্ছেন কিন্তু নিজে কথা বলছেন না। প্রতীক-উরের প্রশ্ন, “রাজ্য সম্পাদক যদি হুমায়ুন কবীরের সঙ্গে বসে কথা বলতে পারেন, তবে দলেরই একজন সদস্যের সঙ্গে কথা বলতে সমস্যা কোথায়?” তিনি আরও যোগ করেন, “আগে তালাক দিক, তারপর বলব খোরপোষ চাইব নাকি অন্য জায়গায় বিয়ে করব (অন্য দলে যোগদান)।”

নিজের রাজনৈতিক অবস্থান পরিষ্কার করে প্রতীক-উর বলেন, “আমার এমএলএ বা এমপি হওয়ার কোনো শখ নেই। চার চাকা গাড়িতে সেলিব্রিটি হওয়ার শখও নেই। আমি সংগঠন করতে চাই, খিদে পেলে ঘুগনি-মুড়ি খেয়েই দিন কাটিয়ে দেব।” উল্লেখ্য, প্রতীক-উরের এই অবস্থান এবং দলের একাংশের সঙ্গে দূরত্ব বাড়ায় তাঁর তৃণমূলে যোগদান নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা এখন তুঙ্গে।

এখন প্রশ্ন হলো, সিপিএম কি তাদের এই ‘অ্যাসেট’-কে ধরে রাখতে কোনো চূড়ান্ত পদক্ষেপ নেবে, নাকি প্রতীকের ইচ্ছামতোই শেষ পর্যন্ত ‘তালাক’-ই হবে ভবিতব্য?

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *