০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home ভারতবর্ষ -অপারেশন সিঁদুরে এবার ১১টি যুদ্ধবিমান ধ্বংসের দাবি ট্রাম্পের! ভারত-পাক যুদ্ধ থামানো নিয়ে ঠিক কী বললেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট?
ভারতবর্ষভারতবর্ষ

-অপারেশন সিঁদুরে এবার ১১টি যুদ্ধবিমান ধ্বংসের দাবি ট্রাম্পের! ভারত-পাক যুদ্ধ থামানো নিয়ে ঠিক কী বললেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট?

Share
Share

ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তাঁর চাঞ্চল্যকর দাবি—এই দুইয়ের সমীকরণ যেন বিরামহীন। ফের একবার ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার সংঘাত থামাতে নিজের ‘মসিহা’ রূপের কথা তুলে ধরলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এবার তিনি দাবি করেছেন, তাঁর মধ্যস্থতার কারণেই নাকি পরমাণু শক্তিধর এই দুই দেশ যুদ্ধ থামিয়েছিল, যা আড়াই কোটি মানুষের প্রাণ বাঁচিয়েছে। শুধু তাই নয়, সংঘাত চলাকালীন ১১টি যুদ্ধবিমান ধ্বংস হয়েছিল বলেও দাবি তাঁর।

গত বছর পহেলগাঁওয়ের বৈসরণে জঙ্গি হামলার প্রত্যুত্তরে ভারত যখন ‘অপারেশন সিঁদুর’ অভিযান চালায়, তখন দুই দেশের মধ্যে চরম উত্তেজনা তৈরি হয়। সেই প্রসঙ্গ টেনে গতকাল, ১৯ ফেব্রুয়ারি গাজা নিয়ে আয়োজিত ‘বোর্ড অব পিস’ মিটিংয়ে ট্রাম্প এক নাটকীয় মুহূর্ত তৈরি করেন। সেখানে উপস্থিত পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফকে রীতিমতো উঠে দাঁড়াতে বলে ট্রাম্প দাবি করেন, ভারত ও পাকিস্তানের যুদ্ধ থামাতে তিনিই মূল ভূমিকা নিয়েছিলেন।

[TECHTARANGA-POST:6626]

ট্রাম্পের দাবি অনুযায়ী, তিনি দুই দেশকেই কড়া হুমকি দিয়েছিলেন। তিনি বলেন, “আমি নরেন্দ্র মোদী এবং শেহবাজ শরিফ দু জনকেই ফোন করে বলি, যদি তোমরা এই লড়াই না থামাও তবে আমি বাণিজ্যে ২০০ শতাংশ শুল্ক বসাব। লড়াই থামানোর জন্য যখন অর্থের ক্ষতির প্রসঙ্গ এল, তখনই ওরা শান্ত হয়ে গেল।” ট্রাম্প আরও দাবি করেন যে, সেই সময় আকাশপথে লড়াইয়ে ১১টি অত্যন্ত দামি জেট বিমান ধ্বংস হয়েছিল। যদিও এর আগে তিনি এই সংখ্যাটি সাত বলে উল্লেখ করেছিলেন।

তবে ট্রাম্পের এই দাবি ঘিরে শুরু হয়েছে বিতর্ক। ভারত সরকার আগেই স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে, পাকিস্তান ও ভারতের এই সংঘাত থামানোর ক্ষেত্রে তৃতীয় কোনো পক্ষের কোনো ভূমিকা ছিল না। পাকিস্তানের অনুরোধেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছিল। অন্যদিকে ট্রাম্প দাবি করছেন, শেহবাজ শরিফ নাকি নিজেই তাঁকে বলেছিলেন যে ট্রাম্পের হস্তক্ষেপে আড়াই কোটি মানুষ মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *