০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home ভারতবর্ষ বাংলাদেশ সম্পর্কের বরফ গলে উষ্ণতা! বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে ‘বহুমাত্রিক’ অংশীদারিত্বে আগ্রহী ভারত
বাংলাদেশভারতবর্ষভারতবর্ষ

সম্পর্কের বরফ গলে উষ্ণতা! বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে ‘বহুমাত্রিক’ অংশীদারিত্বে আগ্রহী ভারত

Share
Share

নয়াদিল্লি: ৫ অগাস্ট পরবর্তী দীর্ঘ টানাপড়েন কাটিয়ে অবশেষে স্বাভাবিক ছন্দে ফিরছে ঢাকা-নয়াদিল্লি কূটনৈতিক সম্পর্ক। বাংলাদেশের ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বিএনপির নিরঙ্কুশ জয়ের পর দুই দেশের ‘বহুমাত্রিক’ সম্পর্ককে আরও মজবুত করার বার্তা দিল ভারত। শুক্রবার সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল জানান, উষ্ণ ও ঐতিহাসিক সম্পর্কের ওপর দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও প্রসারিত করতে নয়াদিল্লি বদ্ধপরিকর।

বিদেশ মন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রতিনিধি হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা। তিনি প্রধানমন্ত্রী মোদীর একটি বিশেষ চিঠি তারেক রহমানের হাতে তুলে দেন। ওই চিঠিতে একটি গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের প্রতি ভারতের পূর্ণ সমর্থনের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে। উল্লেখ্য, নির্বাচনী ফলাফল আসার পরপরই তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছিলেন মোদী এবং টেলিফোনেও তাঁদের মধ্যে দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে।

[TECHTARANGA-POST:6653]

গত ডিসেম্বরে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরীফ ওসমান হাদির মৃত্যু এবং পরবর্তীতে ঢাকায় ভারতীয় মিশনে হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই দেশের সম্পর্কে সাময়িক দূরত্ব তৈরি হয়েছিল। নিরাপত্তার কারণে ভারতের ভিসা আবেদন কেন্দ্র (IVAC) এবং বাংলাদেশের পক্ষ থেকেও কনস্যুলার সেবা স্থগিত রাখা হয়েছিল। তবে নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর সেই অচলাবস্থা কাটতে শুরু করেছে।

রণধীর জয়সোয়াল জানিয়েছেন, ভিসা সংক্রান্ত বিষয়গুলো নিয়ে পর্যায়ক্রমে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে আলোচনা হবে। ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে শুক্রবার থেকেই দিল্লিতে ভারতীয়দের ভিসা দেওয়া শুরু করেছে বাংলাদেশ হাই কমিশন। সিলেটে ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনার অনিরুদ্ধ দাসও আশ্বাস দিয়েছেন যে, সব ধরনের ভিসা প্রক্রিয়া দ্রুতই ‘স্বাভাবিক পর্যায়ে’ ফিরবে। দক্ষিণ এশিয়ায় স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে দুই প্রতিবেশী দেশের এই বন্ধুত্বপূর্ণ অবস্থান অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *