০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home কূটনীতি জিয়া ছিলেন ‘হাতের পুতুল’, এবার কি লক্ষ্য তারেক? বিএনপি নেতার সঙ্গে সাক্ষাতে মরিয়া শাহবাজ শরিফ
কূটনীতিবাংলাদেশ

জিয়া ছিলেন ‘হাতের পুতুল’, এবার কি লক্ষ্য তারেক? বিএনপি নেতার সঙ্গে সাক্ষাতে মরিয়া শাহবাজ শরিফ

Share
Share

নয়াদিল্লি ও ঢাকা: বাংলাদেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকেই ঢাকার সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়াতে তৎপর হয়ে উঠেছে ইসলামাবাদ। এবার বাংলাদেশের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সশরীরে দেখা করার প্রবল ইচ্ছা প্রকাশ করলেন পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। শুক্রবার আরবের জেড্ডায় দুই দেশের বিদেশমন্ত্রীর পর্যায়ের বৈঠকে এই প্রসঙ্গের অবতারণা হতেই নতুন করে দানা বেঁধেছে রাজনৈতিক জল্পনা। ওয়াকিবহাল মহলের প্রশ্ন, বাবা জিয়াউর রহমানের মতো ছেলে তারেক রহমানকেও কি এবার নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাইছে পাকিস্তান?

অর্গানাইজেশন অফ ইসলামিক কো-অপারেশন (OIC)-এর প্যালেস্তাইন সংক্রান্ত সভার ফাঁকে বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী তথা বিদেশমন্ত্রী ইশক দার। সেখানেই তিনি জানান, পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ তারেক রহমানের সঙ্গে দেখা করতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন এবং তিনি দ্রুত ঢাকা সফর করতে চান। ইশক দার অতীতে বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে তাঁর সাক্ষাতের স্মৃতিও রোমন্থন করেন।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় ফিরেছে বিএনপি। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানের ভূমিকা এবং বিএনপির প্রতিষ্ঠার নেপথ্যে পাকিস্তানের সমর্থনের ইতিহাস সর্বজনবিদিত। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, জিয়াউর রহমান একসময় পাকিস্তানের ‘হাতের পুতুল’ হিসাবে কাজ করেছিলেন। এখন তাঁর পুত্র তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রীর গদিতে বসার পর পাকিস্তান ফের পুরনো বন্ধুত্ব ঝালিয়ে নিয়ে বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের কবজায় নেওয়ার ছক কষছে কিনা, তা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে।

বৈঠকে ইশক দার আশাপ্রকাশ করেন, বাংলাদেশের নতুন সরকারের অধীনে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও মজবুত হবে। এর পাশাপাশি প্যালেস্তাইন ও রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের অবস্থানের ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হুমায়ুন কবীরও।

ঢাকার মসনদে বিএনপির প্রত্যাবর্তনের পর ইসলামাবাদের এই বাড়তি উৎসাহ দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতিতে কোনও নতুন মেরুকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে কিনা, এখন সেদিকেই নজর আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলের।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *