০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home ভারতবর্ষ ক্যাব চালকের অ্যাকাউন্টে ৩০০ কোটির খেলা! ৫০০ কোটির বড়সড় জালিয়াতি চক্রের হদিস পেল ইডি
ভারতবর্ষভারতবর্ষ

ক্যাব চালকের অ্যাকাউন্টে ৩০০ কোটির খেলা! ৫০০ কোটির বড়সড় জালিয়াতি চক্রের হদিস পেল ইডি

Share
ক্যাব চালকের অ্যাকাউন্টে ৩০০ কোটির খেলা! ৫০০ কোটির বড়সড় জালিয়াতি চক্রের হদিস পেল ইডি
ছবি--প্রতীকী
Share

আহমেদাবাদ: পেশায় তিনি সাধারণ এক অ্যাপ ক্যাব চালক। মাসে বড়জোর আয় ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা। কিন্তু তাঁরই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে হওয়া লেনদেনের অঙ্ক দেখে চক্ষু চড়কগাছ এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED) থেকে শুরু করে ক্রাইম ব্রাঞ্চের তুখোড় অফিসারদেরও। ১০ বা ২০ কোটি নয়, প্রদীপ ওড়ে নামের ওই চালকের অ্যাকাউন্টে হদিস মিলেছে প্রায় ৩০০ কোটি টাকার কারবারের! তদন্তে নামতেই ইডি আধিকারিকরা পর্দাফাঁস করেছেন প্রায় ৫০০ কোটির এক বিশাল দুর্নীতি চক্রের।

[TECHTARANGA-POST:7017]

তদন্তে জানা গিয়েছে, আহমেদাবাদের বাসিন্দা প্রদীপ ওড়ে স্রেফ ২৫ হাজার টাকার বিনিময়ে নিজের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টটি ভাড়া দিয়েছিলেন কিরণ পারমার নামে এক ব্যক্তিকে। শুধু তাই নয়, জালিয়াতির কাজে ব্যবহৃত প্রতিটি চেকে সই করার জন্য আলাদাভাবে ৪০০ টাকা করে পেতেন ওই ক্যাব চালক। ইডি-র দাবি, এই অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করেই ক্রিকেট বেটিং এবং শেয়ার বাজারের অবৈধ টাকা পাচার করা হতো।

[TECHTARANGA-POST:7016]

তদন্তকারীরা আরও জানিয়েছেন, প্রদীপের পরিচয়পত্র ব্যবহার করে ২০২৪ সালে ‘প্রদীপ এন্টারপ্রাইজ’ নামে একটি ভুয়ো সংস্থা খোলা হয়েছিল। এছাড়াও ‘কমলেশ ট্রেডিং’ এবং ‘রৌনক ট্রেডার্স’ নামে আরও দুটি কোম্পানির হদিস পাওয়া গিয়েছে। কাগজে-কলমে এই কোম্পানিগুলোর অস্তিত্ব থাকলেও বাস্তবে কোনো ব্যবসায়িক লেনদেন হতো না। অথচ এই তিনটি কোম্পানির অ্যাকাউন্টে তিন দফায় যথাক্রমে ৮০ কোটি ৫০ লক্ষ, ৫২ কোটি ১১ লক্ষ এবং ২২ কোটি ৮৬ লক্ষ টাকা স্থানান্তরিত করা হয়েছিল। সব মিলিয়ে জমা পড়েছিল প্রায় ৫৫০ কোটি টাকা।

[TECHTARANGA-POST:7015]

তদন্তে উঠে এসেছে শেখ মঈন মোহাম্মদ শফি নামে এক ব্যক্তির নাম। জানা গিয়েছে, এই শফি একাধিক ভুয়ো পরিচয়পত্র ব্যবহার করে এই ধরনের বেআইনি আর্থিক কারবার চালাত। আহমেদাবাদ ক্রাইম ব্রাঞ্চের সঙ্গে যৌথভাবে ইডি ইতিমধ্যেই মামলা দায়ের করেছে। প্রদীপ ওড়েকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ চালানো হচ্ছে। তবে এই চক্রের মূল পাণ্ডা এবং নেপথ্যে থাকা প্রভাবশালীদের খোঁজে তল্লাশি জারি রেখেছেন আধিকারিকরা।

[TECHTARANGA-POST:7014]

আর্থিক জালিয়াতির এই ঘটনা ফের প্রমাণ করে দিল যে, সাধারণ মানুষের নথি ও অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে কীভাবে দেশে বড়সড় ‘মানি লন্ডারিং’ নেটওয়ার্ক সক্রিয় রয়েছে।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *