০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশ ১৬ দেশ ও জোটের বিরুদ্ধে আমেরিকার বড়সড় বাণিজ্য তদন্ত! তালিকায় বাংলাদেশও, চাপে বিশ্ববাজার
বাংলাদেশযুক্তরাষ্ট্র

১৬ দেশ ও জোটের বিরুদ্ধে আমেরিকার বড়সড় বাণিজ্য তদন্ত! তালিকায় বাংলাদেশও, চাপে বিশ্ববাজার

Share
১৬ দেশ ও জোটের বিরুদ্ধে আমেরিকার বড়সড় বাণিজ্য তদন্ত! তালিকায় বাংলাদেশও, চাপে বিশ্ববাজার
Share

ওয়াশিংটন: বিশ্বজুড়ে উৎপাদন খাতে অতিরিক্ত সক্ষমতা এবং অতিরিক্ত উৎপাদনের অভিযোগে বাংলাদেশসহ ১৫টি দেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করল যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রশাসনের দাবি, এই দেশগুলোর বিশেষ বাণিজ্য নীতি ও কার্যক্রম আমেরিকার অভ্যন্তরীণ বাণিজ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। বুধবার (১১ মার্চ) যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি (ইউএসটিআর) জেমিয়েসন গ্রিয়ার এক বিবৃতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে এই তদন্তের কথা ঘোষণা করেছেন।

১৯৭৪ সালের মার্কিন বাণিজ্য আইনের ‘ধারা ৩০১’ অনুযায়ী এই তদন্ত শুরু হয়েছে। তালিকায় বাংলাদেশ ছাড়াও রয়েছে— চীন, ভারত, জাপান, মেক্সিকো, দক্ষিণ কোরিয়া, তাইওয়ান, সিঙ্গাপুর, সুইজারল্যান্ড, নরওয়ে, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, কম্বোডিয়া, থাইল্যান্ড এবং ভিয়েতনাম। এর পাশাপাশি ইউরোপীয় ইউনিয়নের (EU) অর্থনীতিও এই তদন্তের আওতাভুক্ত।

বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিয়েসন গ্রিয়ার জানিয়েছেন, অনেক দেশ তাদের অতিরিক্ত উৎপাদনের বোঝা রপ্তানির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে চাপিয়ে দিচ্ছে। এর ফলে আমেরিকার নিজস্ব শিল্পভিত্তি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং উৎপাদন খাতে নতুন বিনিয়োগ ও সম্প্রসারণ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। গ্রিয়ার আরও বলেন, “আমেরিকা আর এমন পরিস্থিতি মেনে নেবে না যেখানে বিদেশি প্রতিযোগীদের কারণে আমরা আমাদের উৎপাদন সক্ষমতা হারাব। আমরা চাই গুরুত্বপূর্ণ সরবরাহ শৃঙ্খল (Supply Chain) আবার যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে আসুক এবং কর্মসংস্থান বাড়ুক।”

ইউএসটিআর (USTR) জানিয়েছে, এই তদন্তের অংশ হিসেবে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সরকারের সঙ্গে আলোচনা করা হবে। আগামী ১৭ মার্চ থেকে এই প্রক্রিয়ায় মতামত জমা দেওয়া শুরু হবে। আগ্রহী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে ১৫ এপ্রিলের মধ্যে লিখিত মতামত জানাতে হবে। আগামী ৫ মে থেকে এই তদন্ত সংক্রান্ত শুনানি শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

১৯৭৪ সালের এই ‘ধারা ৩০১’ অত্যন্ত শক্তিশালী একটি আইনি অস্ত্র, যা অন্যায্য বিদেশি বাণিজ্য চর্চার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ব্যবহৃত হয়। এই তদন্তের ফলাফল যদি আমেরিকার বিপক্ষে যায়, তবে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর রপ্তানি পণ্যের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক বা অন্য কোনো কঠোর বাণিজ্যিক বিধিনিষেধ আরোপ করতে পারে ওয়াশিংটন। বাংলাদেশের মতো রপ্তানিনির্ভর অর্থনীতির জন্য এই তদন্ত আগামী দিনে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *