০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home ভারতবর্ষ আইন-কানুন প্রশাসনে কমিশনের ‘সার্জিক্যাল স্ট্রাইক’: ডিজি ও সিপিসহ পুলিশ ও প্রশাসনের শীর্ষস্তরে বড় রদবদল
আইন-কানুনকলকাতাপশ্চিমবঙ্গভারতবর্ষ

প্রশাসনে কমিশনের ‘সার্জিক্যাল স্ট্রাইক’: ডিজি ও সিপিসহ পুলিশ ও প্রশাসনের শীর্ষস্তরে বড় রদবদল

Share
প্রশাসনে কমিশনের ‘সার্জিক্যাল স্ট্রাইক’: ডিজি ও সিপিসহ পুলিশ ও প্রশাসনের শীর্ষস্তরে বড় রদবদল
ছবি: সংগৃহীত
Share

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা হতেই রাজ্যে প্রশাসনিক রদবদলের ব্যাপক ঝড় তুলল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। রবিবার বিকেলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশের পর রাত ১২টার মধ্যেই রাজ্যের পুলিশ ও প্রশাসনের শীর্ষ পদগুলোতে বড়সড় পরিবর্তন আনা হয়েছে। সোমবার সকালেই নয়া দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তাদের নাম জানিয়ে দিয়েছে কমিশন।

[TECHTARANGA-POST:7347]

কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, রাজ্য পুলিশের নতুন ডিরেক্টর জেনারেল (DG) করা হয়েছে আইপিএস অফিসার সিদ্ধিনাথ গুপ্তাকে। অপসারিত হয়েছেন পীযূষ পাণ্ডে। অন্যদিকে, সুপ্রতীম সরকারকে সরিয়ে কলকাতা পুলিশের নতুন কমিশনার (CP) করা হয়েছে প্রবীণ আইপিএস অফিসার অজয় নন্দাকে। এছাড়া এডিজি (আইনশৃঙ্খলা) পদ থেকে বিনীত গোয়েলকে সরিয়ে সেই জায়গায় আনা হয়েছে অজয় মুকুন্দ রানাডেকে। প্রশাসনিক মহলের মতে, সিদ্ধিনাথ গুপ্তা এবং অজয় নন্দা দুজনেই দক্ষ ও নিষ্ঠাবান অফিসার হিসেবে পরিচিত হলেও এতদিন নবান্নের পছন্দের তালিকায় ছিলেন না।

[TECHTARANGA-POST:7340]

পুলিশের পাশাপাশি রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধানের পদেও বদল এনেছে কমিশন। আইএএস অফিসার দুষ্যন্ত নারিয়ালাকে (১৯৯৩ ব্যাচ) পশ্চিমবঙ্গের নতুন মুখ্যসচিব হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। তাঁর জায়গায় অপসারিত হয়েছেন নন্দিনী চক্রবর্তী। এছাড়া স্বরাষ্ট্র সচিব পদ থেকে জগদীশ প্রসাদ মিনাকে সরিয়ে সেই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সিনিয়র আইএএস অফিসার সঙ্ঘমিত্রা ঘোষকে (১৯৯৭ ব্যাচ)।

[TECHTARANGA-POST:7348]

দিল্লির নির্বাচন সদন থেকে পাঠানো চিঠিতে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখার পরেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই নির্দেশ অবিলম্বে কার্যকর করার কথা বলা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট অফিসাররা দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন কি না, তার রিপোর্ট সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেল ৩টের মধ্যে কমিশনকে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট সুনিশ্চিত করতে কমিশনের এই ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *