০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home ভারতবর্ষ পশ্চিমবঙ্গ ‘আদালতকে নির্দেশ দিতে পারেন না’! আই-প্যাক মামলায় রাজ্যের আর্জি খারিজ করে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের
পশ্চিমবঙ্গভারতবর্ষ

‘আদালতকে নির্দেশ দিতে পারেন না’! আই-প্যাক মামলায় রাজ্যের আর্জি খারিজ করে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের

Share
‘আদালতকে নির্দেশ দিতে পারেন না’! আই-প্যাক মামলায় রাজ্যের আর্জি খারিজ করে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের
Share

নয়াদিল্লি: আই-প্যাক (I-PAC) অফিসে ইডির তল্লাশি এবং তাতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হস্তক্ষেপের অভিযোগ ঘিরে কেন্দ্র-রাজ্য আইনি লড়াই এবার আরও নাটকীয় মোড় নিল। বুধবার সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট জানিয়ে দিল, এই মামলার শুনানি আর কোনোভাবেই পিছোনো হবে না। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে করা স্থগিতের আবেদন সরাসরি খারিজ করে দিয়েছে শীর্ষ আদালত।

বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্র ও বিচারপতি এন ভি অঞ্জারিয়ার বেঞ্চে এদিন শুনানি চলাকালীন রাজ্যের পক্ষে সিনিয়র আইনজীবী শ্যাম দিবান অতিরিক্ত সময় চেয়ে আবেদন করেন। তাঁর যুক্তি ছিল, ইডির জমা দেওয়া ‘রিজয়েন্ডার অ্যাফিডেভিট’-এ নতুন কিছু অভিযোগ যুক্ত হয়েছে, যার জবাব প্রস্তুত করতে সময় প্রয়োজন। কিন্তু ইডির পক্ষে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা এর তীব্র বিরোধিতা করে জানান, ৪ সপ্তাহ আগেই নথি জমা পড়েছে এবং এটি কেবল শুনানি বিলম্ব করার কৌশল।

রাজ্যের যুক্তিতে সন্তুষ্ট না হয়ে বিচারপতি মিশ্র অত্যন্ত কড়া ভাষায় জানান, “আপনারা আদালতকে নির্দেশ দিতে পারেন না। রেকর্ডে যা আছে, সবই বিবেচনা করা হবে।” আদালত আরও মন্তব্য করে যে, এখানে মামলার চেয়ে স্থগিতাদেশ নিয়ে লড়াই বেশি চলছে। রাজ্যের আইনজীবী মেনাকা গুরুস্বামী ‘হ্যান্ডিক্যাপড’ হয়ে পড়ার দোহাই দিলেও আদালত জানিয়ে দেয়, ইডি তাদের যুক্তি পেশ করবে এবং রাজ্য পরে তার জবাব দেবে।

তৃণমূলের রাজনৈতিক পরামর্শদাতা সংস্থা আই-প্যাকের অফিস ও সংস্থাটির কর্তা প্রতীক জৈনের বাড়িতে ইডির তল্লাশির সময় খোদ মুখ্যমন্ত্রী বাধা দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ তুলে মামলা দায়ের করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ইডির দাবি, তাদের আইনি কাজে সরাসরি হস্তক্ষেপ করা হয়েছে।

অবশেষে আদালত রাজ্যের একটি প্রাথমিক আপত্তি— ইডির এই রিট পিটিশন আদৌ গ্রহণযোগ্য কি না, সেই প্রশ্নে আগে শুনানি করতে রাজি হয়েছে। তবে বুধবারের এই কড়া পর্যবেক্ষণ রাজ্যের জন্য বড়সড় ধাক্কা বলেই মনে করছে রাজনৈতিক ও আইনজ্ঞ মহল।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *