০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home পশ্চিমবঙ্গ আতঙ্কে ফেটেছিল হৃৎপিণ্ড-ফুসফুস? আর জি করের লিফটে মৃত্যুতে ময়নাতদন্তের রিপোর্টে হাড়হিম করা তথ্য!
পশ্চিমবঙ্গ

আতঙ্কে ফেটেছিল হৃৎপিণ্ড-ফুসফুস? আর জি করের লিফটে মৃত্যুতে ময়নাতদন্তের রিপোর্টে হাড়হিম করা তথ্য!

Share
আতঙ্কে ফেটেছিল হৃৎপিণ্ড-ফুসফুস? আর জি করের লিফটে মৃত্যুতে ময়নাতদন্তের রিপোর্টে হাড়হিম করা তথ্য!
Share

কলকাতা: আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ট্রমা কেয়ার বিল্ডিংয়ের লিফটে আটকে অরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুর ঘটনায় উঠে এল চাঞ্চল্যকর, শিহরণ জাগানো তথ্য। ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে দেখা গিয়েছে, মৃত্যুর আগে লিফটের ভিতর কার্যত যন্ত্রণায় ছটফট করেছিলেন ওই ব্যক্তি। প্রচণ্ড আতঙ্কে তাঁর শরীরের অভ্যন্তরীণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

[TECHTARANGA-POST:7462]

ময়নাতদন্তের রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, মৃত ব্যক্তির শরীরের একাধিক হাড় ভাঙা ছিল। চিকিৎসকদের মতে, লিফটে আটকে পড়ার পর তীব্র ‘প্যানিক অ্যাটাক’ এবং দমবন্ধ পরিস্থিতির কারণে শরীরে অসম্ভব ‘অ্যাড্রিনালিন সার্জ’ (Adrenaline Surge) হয়ে থাকতে পারে! রিপোর্টে যা পাওয়া গিয়েছে, তা হল – 

[TECHTARANGA-POST:7469]

অভ্যন্তরীণ আঘাত: ফেটে গিয়েছিল মৃতের হৃৎপিণ্ড ও ফুসফুস। এমনকী, অন্ত্রও ফেটে গিয়ে দেহের ভিতর রক্তক্ষরণ হয়েছে।

অস্থিভঙ্গ: মৃত যুবকের পাঁজরের হাড়, হাত এবং পায়ের হাড়ও ভাঙা অবস্থায় পাওয়া গিয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, তীব্র আতঙ্কে পালস রেট এবং রক্তচাপ অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়ায় এই ধরনের ভয়াবহ শারীরিক পরিণতি হতে পারে।

মৃতের পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার অরূপ বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের জন্মদিন ছিল। বাড়িতে উৎসবের আমেজ থাকাকালীনই তাঁর চার বছরের ছেলের কনুই ভেঙে যায়। রাত সাড়ে তিনটে নাগাদ ছেলেকে নিয়ে আর জি করের ট্রমা সেন্টারে আসেন তিনি ও তাঁর স্ত্রী। পাঁচতলা থেকে দোতলায় নামার সময় যান্ত্রিক ত্রুতির কারণে লিফটটি আটকে যায়। দীর্ঘক্ষণ আটকে থাকার পর লিফটটি সোজা বেসমেন্টে চলে আসে।

অভিযোগ, বেসমেন্টে লিফটের দরজা খুললেও সামনে একটি লোহার গ্রিল থাকায় অরূপ তাঁর স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে বেরোতে পারেননি। মূল্যবান যন্ত্রপাতি রক্ষার খাতিরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সেই গ্রিলে তালা লাগিয়ে রেখেছিল। সেই চাবি কার কাছে ছিল, তা জানা সম্ভব হয়নি। গ্রিলটি ভেঙে দিলে হয়তো তিনজনকে উদ্ধার করা যেত। এরপর লিফটটি ফের চালু হয়ে গ্রাউন্ড ফ্লোরে গিয়ে আটকে পড়ে, যেখান থেকে তাঁদের উদ্ধার করা হয়। কিন্তু ততক্ষণে সব শেষ।

মৃতের পরিবারের দাবি, লিফটে কোনও লিফটম্যান ছিল না এবং দুর্ঘটনার পর বারবার সাহায্য চেয়েও দীর্ঘক্ষণ কাউকে পাওয়া যায়নি। হাসপাতালের নিরাপত্তার এই ফাঁক এবং বেসমেন্টে যাতায়াতের পথে গ্রিল লাগিয়ে রাখা নিয়ে এখন বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *