০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home ভারতবর্ষ কূটনীতি খসে পড়ল সরকারি কোয়ার্টারের ছাদের চাঙড়, প্রাণ গেল চারমাসের শিশুর!
কূটনীতিপশ্চিমবঙ্গভারতবর্ষভারতবর্ষ

খসে পড়ল সরকারি কোয়ার্টারের ছাদের চাঙড়, প্রাণ গেল চারমাসের শিশুর!

Share
Share

কেতুগ্রাম (পূর্ব বর্ধমান): সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রের আবাসনের জরাজীর্ণ দশা কেড়ে নিল একরত্তির প্রাণ। কেতুগ্রাম ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের সরকারি কোয়ার্টারে ছাদের চাঙড় ভেঙে মৃত্যু হল চারমাসের এক শিশুকন্যার। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসার পাশাপাশি সরকারি গাফিলতি ও স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর বেহাল দশা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।

[TECHTARANGA-POST:7658]

মৃত শিশুটির নাম প্রিয়দর্শী। তার বাবা সানু বেসরা সীতাহাটি সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ফার্মাসিস্ট এবং মা শিবানী সোরেন কাটোয়া পুরসভার ল্যাব অ্যাসিস্ট্যান্ট। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার দুপুরে ঘরের মেঝেয় ঘুম পাড়িয়ে রাখা হয়েছিল শিশুটিকে। সেই সময় আচমকাই ছাদের একটি বড় চাঙড় খসে সরাসরি প্রিয়দর্শীর মাথায় পড়ে। পরিবারের বাকি সদস্যরা অল্পের জন্য রক্ষা পেলেও গুরুতর জখম হয় চারমাসের শিশুটি। তড়িঘড়ি তাকে নিয়ে হাসপাতালের পথে রওনা দিলেও মাঝপথেই মৃত্যু হয় তার।

[TECHTARANGA-POST:7648]

মৃত শিশুর পরিবারের অভিযোগ, কোয়ার্টারটির অবস্থা দীর্ঘকাল ধরেই অত্যন্ত বিপজ্জনক। আবাসনটি মেরামতের জন্য সংশ্লিষ্ট দফতরে একাধিকবার লিখিত আবেদন জানানো হলেও কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি। পরিবারের দাবি, সময় মতো সংস্কার হলে আজ একরত্তি শিশুকে প্রাণ হারাতে হতো না। শুধু এই কোয়ার্টার নয়। কেতুগ্রাম ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের অন্যান্য আবাসনের অবস্থাও অত্যন্ত শোচনীয় বলে দাবি স্থানীয়দের। প্রাণের ঝুঁকি নিয়েই সেখানে বসবাস করতে হয় স্বাস্থ্যকর্মীদের।

[TECHTARANGA-POST:7641]

এই হৃদয়বিদারক ঘটনা প্রসঙ্গে কাটোয়া মহকুমার অতিরিক্ত মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক শৌভিক আলম জানিয়েছেন, “ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। আমরা বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাব এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

[TECHTARANGA-POST:7632]

এই ঘটনা ফের একবার চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল রাজ্যের বহু প্রাচীন সরকারি আবাসনগুলির রুগ্ন দশা। কবে হবে এই কোয়ার্টারগুলির সংস্কার? আর কত প্রাণ গেলে তবে নড়েচড়ে বসবে প্রশাসন? সেই প্রশ্নই এখন বড় হয়ে দেখা দিচ্ছে।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *