০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home ভারতবর্ষ দিল্লি “দেশের ইস্যু ছেড়ে সিঙাড়া নিয়ে সংসদে সময় নষ্ট!” পদ হারানো রাঘবকে ‘ভীতু’ বলে নজিরবিহীন আক্রমণ আপ-এর
দিল্লিভারতবর্ষভারতবর্ষ

“দেশের ইস্যু ছেড়ে সিঙাড়া নিয়ে সংসদে সময় নষ্ট!” পদ হারানো রাঘবকে ‘ভীতু’ বলে নজিরবিহীন আক্রমণ আপ-এর

Share
Share

দিল্লি: আম আদমি পার্টির অন্দরমহলের কলহ এখন কার্যত চরমে। রাজ্যসভার ডেপুটি লিডার পদ থেকে রাঘব চাড্ডাকে সরিয়ে দেওয়ার পর থেকেই শুরু হয়েছে নজিরবিহীন কাদা ছোড়াছুড়ি। পদ হারানোর পর রাঘব সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও পোস্ট করে নিজেকে “সাইলেন্সড বাট নট ডিফিটেড” অর্থাৎ “নিঃশব্দ কিন্তু অপরাজিত” বলে দাবি করেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন, সাধারণ মানুষের স্বার্থে সংসদে কথা বলা কি অপরাধ? কেন দল তাঁকে রাজ্যসভায় বরাদ্দ সময়ে বলতে দিতে চাইছে না? রাঘবের এই সরাসরি চ্যালেঞ্জের পর এবার কোমর বেঁধে আসরে নেমেছে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের দল।

[TECHTARANGA-POST:7786]

আম আদমি পার্টির পক্ষ থেকে রাঘবকে পালটা আক্রমণ করে দাবি করা হয়েছে যে, এই তরুণ সাংসদ আসলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিরুদ্ধে কথা বলতে ভয় পাচ্ছেন। আপ-এর ন্যাশনাল মিডিয়া চিফ অনুরাগ ধান্দা অত্যন্ত কড়া ভাষায় জানিয়েছেন, বিগত কয়েক বছরে রাঘব ভীতু হয়ে গিয়েছেন এবং দেশের আসল ইস্যুগুলো নিয়ে তিনি সংসদে সরব হচ্ছেন না। উলটে বিমানবন্দরের ক্যান্টিনে সিঙাড়ার দাম কমানোর মতো তুচ্ছ বিষয়ে কথা বলে তিনি সংসদের মূল্যবান সময় নষ্ট করেছেন বলে অভিযোগ তুলেছে দল।

[TECHTARANGA-POST:7779]

এখানেই শেষ নয়, আপ-এর পক্ষ থেকে রাঘবের বিরুদ্ধে একাধিক অসহযোগিতার তালিকা পেশ করা হয়েছে। দলের দাবি, গুজরাটে যখন আপ কর্মীদের গ্রেফতার করা হয়েছিল, তখন রাঘব সংসদে সেই ইস্যুতে নীরব ছিলেন। এমনকি মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিতে করা আর্জিতেও তিনি সই করেননি। সবথেকে তাৎপর্যপূর্ণ অভিযোগ হলো, সংসদে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের সময় দলের বাকি সব সদস্য ওয়াক-আউট করলেও রাঘব নিজের আসনেই বসেছিলেন। দলের নির্দেশ অমান্য করা এবং গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ইস্যু এড়িয়ে যাওয়ার কারণেই যে তাঁর বিরুদ্ধে এই কঠোর পদক্ষেপ, তা স্পষ্ট করে দিয়েছে আম আদমি পার্টি। রাঘব বনাম আপ-এর এই সংঘাত এখন জাতীয় রাজনীতির আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *