০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home ভারতবর্ষ শাহের সামনেই ধুন্ধুমার কালীঘাটে! কলকাতা পুলিশের দুই ডিসিকে শো-কজ লালবাজারের, কমিশনের রোষে সিপি!
ভারতবর্ষভারতবর্ষ

শাহের সামনেই ধুন্ধুমার কালীঘাটে! কলকাতা পুলিশের দুই ডিসিকে শো-কজ লালবাজারের, কমিশনের রোষে সিপি!

Share
Share

কলকাতা: মুখ্যমন্ত্রীর পাড়ায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের উপস্থিতিতে অশান্তি! সেই ঘটনার রেশ গড়াল লালবাজারের অন্দরমহল পর্যন্ত। ভবানীপুরে শুভেন্দু অধিকারীর মনোনয়ন জমা দেওয়া কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া বিশৃঙ্খলার দায়ে এবার কলকাতা পুলিশের দুই হেভিওয়েট ডেপুটি কমিশনারকে (DC) শো-কজ করল লালবাজার। পাশাপাশি, খোদ কলকাতার পুলিশ কমিশনারকেই নির্বাচন কমিশনের নজিরবিহীন ভর্ৎসনার মুখে পড়তে হল!

[TECHTARANGA-POST:7791]

লালবাজার সূত্রে খবর, সংশ্লিষ্ট ঘটনায় ডিসি ২ (দক্ষিণ) সিদ্ধার্থ দত্ত এবং ডিসি ২ (রিজার্ভ ফোর্স) মানস রায়কে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানো হয়েছে। বুধবার শুভেন্দু অধিকারীর রোড শোয়ের সময় ওই এলাকার নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন এই দুই দুঁদে আধিকারিক। কেন ওই এলাকায় বেআইনি জমায়েত রুখতে পারল না পুলিশ? কেনই বা পরিস্থিতি সামলাতে এত হিমশিম খেতে হল? এই সব প্রশ্নের উত্তর তলব করা হয়েছে তাঁদের কাছে।

বৃহস্পতিবার রাজ্য প্রশাসনের শীর্ষ কর্তাদের নিয়ে বৈঠকে বসেছিলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। সেখানে কলকাতার পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দকে কার্যত তুলোধনা করেন তিনি। সূত্রের খবর, ক্ষুব্ধ কমিশন প্রধান সিপির উদ্দেশে বলেন, “আইপিএস অফিসার হয়েও কলকাতা সামলাতে পারছেন না? আপনাকে কি প্রশিক্ষণ দিতে হবে?” নির্বাচন কমিশনের এমন কড়া মনোভাবে রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছে পুলিশ মহলে।

বৃহস্পতিবার ভবানীপুরের বিজেপি প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিতে যান শুভেন্দু অধিকারী। সঙ্গে ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। হাজরা মোড় থেকে সার্ভে বিল্ডিং পর্যন্ত তাঁদের মেগা রোড শো যখন কালীঘাটে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির তল্লাট দিয়ে যাচ্ছিল, তখনই শুরু হয় গণ্ডগোল। অভিযোগ, তৃণমূল কর্মীরা মাথায় কালো কাপড় বেঁধে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। বিজেপির দাবি, তাঁদের মিছিলের অনুমতি থাকলেও তৃণমূলের কোনও অনুমতি ছিল না। দুই পক্ষের ধস্তাধস্তি এবং স্লোগান-পাল্টা স্লোগানে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় এলাকা।

[TECHTARANGA-POST:7787]

এই ঘটনায় কালীঘাট ও আলিপুর থানায় মোট তিনটি অভিযোগ দায়ের হয়েছে। এর মধ্যে দুটি অভিযোগ পুলিশ স্বতঃপ্রণোদিতভাবে করেছে। মূলত বেআইনি জমায়েত এবং সরকারি নির্দেশিকা লঙ্ঘনের ধারায় মামলা শুরু হয়েছে। ভোটের মুখে খোদ কলকাতার নিরাপত্তার ফাঁকফোকর নিয়ে এখন চরম অস্বস্তিতে প্রশাসন।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *