০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home ভারতবর্ষ কলকাতা দিলীপের মনোনয়নে শুভেন্দু! পুরোনো ‘আড়ি’ ভুলে এবার গলায় গলায় ভাব?
কলকাতাকূটনীতিপশ্চিমবঙ্গবিশ্লেষণভারতবর্ষ

দিলীপের মনোনয়নে শুভেন্দু! পুরোনো ‘আড়ি’ ভুলে এবার গলায় গলায় ভাব?

Share
Share

মেদিনীপুর: খড়গপুরের গোলবাজার তখন গেরুয়া পতাকায় মোড়া। হুডখোলা ট্যাবলোর উপর দাঁড়িয়ে হাসিমুখে হাত নাড়ছেন দুই হেভিওয়েট নেতা – দিলীপ ঘোষ এবং শুভেন্দু অধিকারী। একসময় যাঁদের ‘ঠান্ডা লড়াই’ নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে চর্চার শেষ ছিল না, শনিবার মেদিনীপুরে তাঁদের এই ‘কেমিস্ট্রি’ দেখে কার্যত তাজ্জব রাজনৈতিক মহল। তবে কি ভোটের বৈতরণী পার হতে পুরোনো তিক্ততা ধুয়ে মুছে সাফ করে দিলেন দুই দাপুটে নেতা?

[TECHTARANGA-POST:7820]

২০১৬ সালে এই খড়গপুর সদর থেকেই প্রথমবার বিধায়ক হয়ে চমক দিয়েছিলেন দিলীপ ঘোষ। ২০১৯-এ সাংসদ হওয়ার পর তাঁর ছেড়ে যাওয়া এই গড় হাতছাড়া হয়েছিল বিজেপির। ২০২১-এ অভিনেতা হিরণ চট্টোপাধ্যায় সেই হারানো জমি উদ্ধার করলেও, ২০২৬-এর মহাযুদ্ধে দল ফের ভরসা রেখেছে ভূমিপুত্র দিলীপের উপরই। শনিবার ধুমধাম করে মনোনয়ন পেশ করার সময় দিলীপের আত্মবিশ্বাসী ঘোষণা, “এবার এক লক্ষ মার্জিনে জয় নিশ্চিত!”

[TECHTARANGA-POST:7804]

গত লোকসভা নির্বাচনে বর্ধমান-দুর্গাপুর আসনে হারের পর দিলীপ ঘোষের বিস্ফোরক মন্তব্য ছিল, “আমাকে হারানোর জন্য দলেই কাঠিবাজি হয়েছে।” নাম না নিলেও তাঁর নিশানায় যে শুভেন্দু অধিকারী ছিলেন, তা বুঝতে কারও বাকি ছিল না। কিন্তু, শনিবারের ছবিটা ছিল একেবারে উল্টো। সকাল ১০টায় রাম মন্দিরে পুজো দেওয়া থেকে শুরু করে মহকুমাশাসকের দফতরে মনোনয়ন জমা দেওয়া পর্যন্ত – ছায়ার মতো দিলীপের পাশে ছিলেন শুভেন্দু।

[TECHTARANGA-POST:7811]

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এটা স্রেফ সৌজন্য নয়। বরং, দলের উপরতলার কড়া নির্দেশে সাজানো এক মাস্টারস্ট্রোক! কর্মীদের মধ্যে যে দ্বন্দ্বের খবর বারবার সামনে আসছিল, তা মেটাতেই এই ‘ভাব ভাব’ অভিব্যক্তি। শুভেন্দুর বলিষ্ঠ উপস্থিতি আর দিলীপের দাপুটে মেজাজ – এই দুই শক্তি একজোট হয়ে ভোটব্যাঙ্কে কতটা প্রভাব ফেলে, এখন সেটাই দেখার।

[TECHTARANGA-POST:7803]

আসন্ন ৪ মে ইভিএম খুললেই বোঝা যাবে, নেতাদের এই আড়ি ভুলে ভাব আদতে ভোটারদের মন জয় করতে পারল কিনা।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *