০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home ভারতবর্ষ আইন-কানুন সাধারণ প্রশ্ন শুনেই ‘ফেল’ পর্যবেক্ষক, কড়া দাওয়াই জ্ঞানেশের!
আইন-কানুনকূটনীতিদিল্লিভারতবর্ষভারতবর্ষ

সাধারণ প্রশ্ন শুনেই ‘ফেল’ পর্যবেক্ষক, কড়া দাওয়াই জ্ঞানেশের!

Share
Share

নয়াদিল্লি: নির্বাচন অবাধ ও শান্তিপূর্ণ করতে তিনি যে এক চুলও জমি ছাড়বেন না, তা আরও একবার প্রমাণ করলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। এবার খোদ কমিশনের নিযুক্ত পর্যবেক্ষকের উপরেই নেমে এল শাস্তির খাঁড়া! বাংলার বিধানসভা নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে থাকা এক পর্যবেক্ষককে ভরা বৈঠকেই পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিলেন ক্ষুব্ধ সিইসি।

[TECHTARANGA-POST:7897]

পশ্চিমবঙ্গের ২৯৪টি আসনের জন্য যে ২৯৪ জন সাধারণ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হয়েছিল, বুধবার তাঁদের নিয়ে ভার্চুয়াল বৈঠকে বসেন জ্ঞানেশ কুমার। বৈঠক চলাকালীন কোচবিহার দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষক অনুরাগ যাদবকে একটি অত্যন্ত সাধারণ প্রশ্ন করেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। প্রশ্নটি ছিল, “আপনার এলাকায় মোট কতগুলি বুথ আছে?”

[TECHTARANGA-POST:7894]

অবাক করা বিষয় হল, গত কয়েকদিন ধরে ওই এলাকায় দায়িত্ব সামলানো অনুরাগ এই সহজ প্রশ্নের কোনও উত্তরই দিতে পারেননি। নিজের এলাকার বুথসংখ্যা সম্পর্কে তাঁর এই ‘অজ্ঞতা’ দেখেই মেজাজ হারান জ্ঞানেশ কুমার।

[TECHTARANGA-POST:7895]

সূত্রের খবর, অনুরাগের উত্তর না দিতে পারার ব্যর্থতায় জ্ঞানেশ কুমার প্রশ্ন তোলেন, “আপনার এলাকায় ক’টি বুথ আছে সেটুকুই যদি না জানেন, তাহলে কীভাবে ভোট পরিচালনা করবেন?” এরপরই চরম সিদ্ধান্ত নেন তিনি। সংশ্লিষ্ট পর্যবেক্ষকের দায়িত্বজ্ঞানহীনতার অভিযোগ তুলে তাঁকে তৎক্ষণাৎ দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।


[TECHTARANGA-POST:7889]

কমিশন আগেই নির্দেশ দিয়েছিল, ১৮ মার্চের (২০২৬) মধ্যে সমস্ত পর্যবেক্ষককে তাঁদের নির্দিষ্ট কেন্দ্রে পৌঁছে যেতে হবে। নিজের যোগাযোগের ঠিকানা ও ফোন নম্বর প্রকাশ্যে আনতে হবে যাতে সাধারণ মানুষ সাহায্য পেতে পারে। প্রতিদিন প্রার্থী ও রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে বৈঠকের জন্য নির্দিষ্ট সময় বরাদ্দ রাখতে হবে।


[TECHTARANGA-POST:7888]

নির্বাচন প্রক্রিয়া নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ রাখতেই এই কড়া নজরদারি বলে দাবি কমিশনের। আর, সেখানে খোদ পর্যবেক্ষকই যদি তথ্য না জানেন, তাহলে তা নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিয়েই প্রশ্ন তোলে বলে মনে করছেন জ্ঞানেশ কুমার। কোচবিহার দক্ষিণের এই ঘটনা এখন কমিশনের অন্দরে বাকি পর্যবেক্ষকদের কাছেও এক বড় সতর্কবার্তা।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *