০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home পশ্চিমবঙ্গ কলকাতা ভোটের মুখে কমিশনের বড় পদক্ষেপ: সরলেন ১৪৯ পুলিশ আধিকারিক, দিতে হবে মুচলেকা!
কলকাতাপশ্চিমবঙ্গপশ্চিমবঙ্গ

ভোটের মুখে কমিশনের বড় পদক্ষেপ: সরলেন ১৪৯ পুলিশ আধিকারিক, দিতে হবে মুচলেকা!

Share
Share

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পর থেকেই প্রশাসনিক রদবদলে অনড় নির্বাচন কমিশন। এবার এক ধাক্কায় রাজ্য পুলিশের ১৪৯ জন ইন্সপেক্টর ও সাব-ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার আধিকারিককে সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিল কমিশন। এই রদবদল ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে উত্তেজনা এখন তুঙ্গে। কমিশনের বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, অপসারিত এই পুলিশ আধিকারিকরা নির্বাচনের কোনও প্রক্রিয়ার সঙ্গেই যুক্ত থাকতে পারবেন না। এমনকি তাঁরা যে ভোটের কাজে অংশ নেবেন না, সেই মর্মে তাঁদের কাছ থেকে লিখিত মুচলেকাও দাবি করা হয়েছে।

ইতিমধ্যেই এই রদবদলের তালিকায় থাকা ৮১ জন ইন্সপেক্টরকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নতুন পদে যোগ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ৬৮ জন সাব-ইন্সপেক্টরকেও বদলি করা হয়েছে। বিশেষত, আগে বদলি হওয়া কর্মকর্তাদের মধ্যে যাঁরা এখনও বিভিন্ন থানায় কর্মরত ছিলেন, তাঁদের দ্রুত অন্য জেলায় পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর আগে মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব এবং রাজ্য পুলিশের ডিজি-র মতো শীর্ষপদে রদবদল ঘটিয়েছিল কমিশন, যা নিয়ে শুরু থেকেই সরব তৃণমূল কংগ্রেস।

তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দলের শীর্ষ নেতৃত্ব কমিশনের এই একের পর এক পদক্ষেপের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যেই হাইকোর্টে সওয়াল করেছেন আইনজীবী ও সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলের অভিযোগ, ভোটের মুখে এভাবে প্রশাসনিক কাঠামোয় বারবার রদবদল করে আসলে কাজে বাধা সৃষ্টি করা হচ্ছে। অন্যদিকে, কমিশন তাদের নিরপেক্ষতা বজায় রাখতেই এই কঠোর অবস্থান নিচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।

[TECHTARANGA-POST:7924]

আগামী ২৩ এবং ২৯ এপ্রিল দুই দফায় রাজ্যে ভোটগ্রহণ। হাতে সময় মাত্র কয়েকটা দিন। প্রচারের পারদ যখন চড়ছে, ঠিক তখনই পুলিশ প্রশাসনে এই বড় মাপের রদবদল এবং নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে শাসকদলের সংঘাত বাংলার ভোটচিত্রকে আরও জটিল করে তুলল। এখন দেখার, এই প্রশাসনিক পরিবর্তনের প্রভাব ব্যালট বাক্সে কতটা পড়ে।

হিডেন স্টোরিজ নিউজ

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *