০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home কলকাতা -বাংলা থেকে ১৪০০ কোম্পানি পালিয়েছে মহারাষ্ট্রে! নিউটাউনে দাঁড়িয়ে বিস্ফোরক দাবি দেবেন্দ্র ফড়নবিসের
কলকাতাকলকাতাপশ্চিমবঙ্গ

-বাংলা থেকে ১৪০০ কোম্পানি পালিয়েছে মহারাষ্ট্রে! নিউটাউনে দাঁড়িয়ে বিস্ফোরক দাবি দেবেন্দ্র ফড়নবিসের

Share
Share

২০২৬-এর বঙ্গ নির্বাচনে জয় নিশ্চিত করতে এবার ময়দানে নামলেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিস। শুক্রবার নিউটাউনের একটি পাঁচতারা হোটেলে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে রাজ্যের বর্তমান শিল্প পরিস্থিতি নিয়ে রীতিমতো তোপ দাগলেন তিনি। ফড়নবিসের দাবি, বাংলার সঙ্গে কয়েক দশকের সম্পর্ক ছিন্ন করে প্রায় ১৪০০ কোম্পানি মহারাষ্ট্রে চলে গিয়েছে এবং সেখানে পুরোদমে ব্যবসা করছে। তৃণমূল সরকারের আমলে বাংলার অর্থনৈতিক অবস্থার যে অবনতি হয়েছে, তা তুলে ধরে তিনি প্রশ্ন করেন, রাজ্যে নতুন করে যে কোম্পানিগুলো নাম নথিভুক্ত করেছে, তারা বাস্তবে ঠিক কতটা কাজ শুরু করেছে সেই তথ্য সরকার দিক। ফড়নবিস চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেন, “সেই তথ্য সরকার দিতে পারবে না।”

[TECHTARANGA-POST:8089]

বাংলাকে উন্নয়নের সরণিতে ফেরাতে একগুচ্ছ প্রতিশ্রুতিও শোনা গিয়েছে তাঁর গলায়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সুরেই তিনি অভিযোগ করেন যে, জাতীয় স্তরে বাংলার অর্থনৈতিক অবদান এখন তলানিতে। তবে বিজেপি ক্ষমতায় এলে আগামী ৫ থেকে ৭ বছরের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ আবারও দেশের সেরা পাঁচটি রাজ্যের তালিকায় জায়গা করে নেবে বলে তিনি আশাপ্রকাশ করেন। পাশাপাশি, কর্মসংস্থান নিয়ে মোদী সরকারের ‘সংকল্পপত্র’-এর কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, ১ কোটি যুবক-যুবতীর চাকরির সংস্থান করাই বিজেপির লক্ষ্য। ফড়নবিসের মতে, সরকার কেবল ক্ষেত্র প্রস্তুত করে, আসল কর্মসংস্থান তৈরি করে শিল্প সংস্থাগুলি— যা বিজেপি-শাসিত রাজ্যগুলিতে সফলভাবে করা হচ্ছে।

[TECHTARANGA-POST:8087]

অন্যদিকে, মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রীর এই দাবিকে স্রেফ ‘মিথ্যা প্রতিশ্রুতি’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। তাদের দাবি, রাজ্যে গত কয়েক বছরে বেকারত্ব প্রায় ৪০ শতাংশ কমেছে এবং মানুষের সার্বিক উন্নতি হয়েছে। নির্বাচনের আবহে একদিকে যখন বিজেপি ভারী শিল্প না থাকা ও বেকারত্বের ইস্যু তুলে রাজ্যকে আক্রমণ করছে, তখন তৃণমূল উন্নয়নের খতিয়ান দিয়ে পাল্টা দিচ্ছে। জঙ্গলমহলে হেমন্ত সোরেনের পর এবার নিউটাউনে দেবেন্দ্র ফড়নবিসের এই হুঙ্কার বঙ্গ রাজনীতির লড়াইকে যে আরও উচ্চগ্রামে নিয়ে গেল, তা বলাই বাহুল্য।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *