০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home কলকাতা আইন-কানুন আর বুথে ডিউটি নয়! হাইকোর্টে ধাক্কা কমিশনের, স্বস্তি কি পাচ্ছেন বাংলার অধ্যাপকরা?
আইন-কানুনকলকাতাকলকাতাপশ্চিমবঙ্গ

আর বুথে ডিউটি নয়! হাইকোর্টে ধাক্কা কমিশনের, স্বস্তি কি পাচ্ছেন বাংলার অধ্যাপকরা?

Share
Share

কলকাতা: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে বুথের গুরুদায়িত্ব থেকে কি অব্যাহতি পাচ্ছেন অধ্যাপকরা? শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টের একটি গুরুত্বপূর্ণ রায়ে তেমনই ইঙ্গিত মিলল। সহকারী অধ্যাপকদের ভোটের প্রিসাইডিং অফিসার হিসাবে নিয়োগ করার যে বিজ্ঞপ্তি নির্বাচন কমিশন জারি করেছিল, তা খারিজ করে দিল আদালত। কমিশনের যুক্তি ধোপে না টেকায় বড়সড় স্বস্তি পেল রাজ্যের অধ্যাপক সমাজ।

বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের বেঞ্চে শুক্রবার মামলাটি উঠলে কমিশনকে বেশ কিছু কঠিন প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়। কেন অধ্যাপকদেরই প্রিসাইডিং অফিসার হিসাবে বুথে পাঠাতে হবে, তার কোনও সদুতত্তর বা সঠিক কারণ কমিশন আদালতে পেশ করতে পারেনি। এর পরেই বিচারপতি জানান, অধ্যাপকদের পদমর্যাদা ও বেতনের কথা মাথায় রেখে তাঁদের এমন কোনও কাজে নিয়োগ করা যায় না যার যৌক্তিকতা কমিশন বোঝাতে পারছে না। পূর্বনির্ধারিত নিয়ম বা নোটিস মেনে এই নিয়োগ হয়নি। তবে, তাঁদের পদমর্যাদার যোগ্য অন্য কোনও বড় দায়িত্ব যদি কমিশন দিতে চায়, তবে অধ্যাপকরা তা পালন করতে বাধ্য থাকবেন।

[TECHTARANGA-POST:8096]

আদালতের এই নির্দেশে একটি বিশেষ বিষয় স্পষ্ট করা হয়েছে। যে সমস্ত অধ্যাপকদের প্রশিক্ষণ ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে বা শেষ হয়েছে, তাঁদের ক্ষেত্রে এই ছাড় কার্যকর হবে না। অর্থাৎ, যাঁরা ট্রেনিং নিয়েছেন, তাঁদের বুথে প্রিসাইডিং অফিসারের কাজ করতেই হবে। কিন্তু, বাকিদের ক্ষেত্রে কমিশনের পুরনো বিজ্ঞপ্তি আর কার্যকর থাকছে না।

সাধারণত শিক্ষা দফতরের আধিকারিকদের ভোটের কাজে ব্যবহার করা হলেও, সরাসরি সহকারী অধ্যাপকদের বুথের প্রিসাইডিং অফিসার করায় আপত্তি ছিল একাংশের। তাঁদের দাবি ছিল, এটি তাঁদের শিক্ষাগত সম্মান ও পদের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। অন্যদিকে কমিশনের যুক্তি ছিল, রাজ্যে ৯০ হাজারের বেশি বুথ। তাই বিপুল সংখ্যক আধিকারিক প্রয়োজন। গত বিধানসভা নির্বাচনেও অধ্যাপকরা এই কাজ করেছিলেন। কিন্তু, কেন এবারও ভোটকেন্দ্রে তাঁদেরই প্রয়োজন, সেই প্রশ্নের কোনও আইনি ভিত্তি কমিশন দেখাতে না পারায় হাইকোর্ট বিজ্ঞপ্তিটি খারিজ করে দেয়।

[TECHTARANGA-POST:8093]

উল্লেখ্য, আগামী ২৩ এবং ২৯ এপ্রিল রাজ্যের ২৯৪টি আসনে দুই দফায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ফল ঘোষণা হবে ৪ মে। ভোটের মুখে আদালতের এই নির্দেশ কমিশনের কর্মী ব্যবস্থাপনায় বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করল বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *