০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home স্বাস্থ্য পশ্চিমবঙ্গ তপ্ত বাংলায় বিপদে রক্ষাকবচ: প্রতিটি হাসপাতালে খুলছে বিশেষ ‘হিট-স্ট্রোক ইউনিট’, যুদ্ধকালীন প্রস্তুতি স্বাস্থ্য দপ্তরের
পশ্চিমবঙ্গস্বাস্থ্য

তপ্ত বাংলায় বিপদে রক্ষাকবচ: প্রতিটি হাসপাতালে খুলছে বিশেষ ‘হিট-স্ট্রোক ইউনিট’, যুদ্ধকালীন প্রস্তুতি স্বাস্থ্য দপ্তরের

Share
তপ্ত বাংলায় বিপদে রক্ষাকবচ: প্রতিটি হাসপাতালে খুলছে বিশেষ 'হিট-স্ট্রোক ইউনিট', যুদ্ধকালীন প্রস্তুতি স্বাস্থ্য দপ্তরের
প্রতীকী ছবি
Share

রাজ্যজুড়ে শুরু হয়েছে আগুনের হলকা, আর তার সঙ্গেই পাল্লা দিয়ে বাড়ছে তাপজনিত অসুস্থতার আশঙ্কা। এই চরম দাবদাহের মোকাবিলায় এবার নজিরবিহীন পদক্ষেপ নিল পশ্চিমবঙ্গ স্বাস্থ্য দপ্তর। গ্রামীণ হাসপাতাল থেকে শুরু করে বড় মেডিক্যাল কলেজ— সর্বত্রই জরুরি ভিত্তিতে ‘হিট-স্ট্রোক ইউনিট’ চালুর কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস মেনে তাপমাত্রা আরও বাড়ার আশঙ্কায় রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে কার্যত ঢেলে সাজানো হচ্ছে, যাতে তপ্ত রোদে অসুস্থ হয়ে পড়া কোনো মানুষই চিকিৎসার অভাবে প্রাণ না হারান।

[TECHTARANGA-POST:8121]

স্বাস্থ্য দপ্তরের নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী, প্রতিটি হাসপাতালে তাপজনিত অসুস্থ রোগীদের জন্য আলাদা ও নির্দিষ্ট কক্ষ চিহ্নিত করতে হবে। সেই ঘরগুলিতে যাতে পর্যাপ্ত হাওয়া চলাচলের পাশাপাশি শীতলীকরণের সুব্যবস্থা থাকে, তার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে এসি, এয়ার কুলার বা উচ্চগতির ফ্যান বসানোর নির্দেশ এসেছে। প্রতিটি হাসপাতালে অন্তত দুটি বেড শুধুমাত্র হিট-স্ট্রোক আক্রান্তদের জন্য সংরক্ষিত রাখতে হবে। শুধু তাই নয়, চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় আইভি ফ্লুইড, ওআরএস, আইস প্যাক, ঠান্ডা জল এবং জরুরি ওষুধের পর্যাপ্ত মজুত নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। এমনকি ইমারশন কুলিং বা শরীরের তাপমাত্রা দ্রুত কমানোর জন্য জলরোধী জিপারযুক্ত বডি ব্যাগের মতো আধুনিক সরঞ্জামও প্রস্তুত রাখতে হবে।

[TECHTARANGA-POST:8117]

হাসপাতালগুলোতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সংযোগ বজায় রাখার পাশাপাশি চিকিৎসক ও নার্সদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে, যাতে দ্রুত রোগ শনাক্ত করে চিকিৎসা শুরু করা যায়। এছাড়া স্বচ্ছতা বজায় রাখতে প্রতিদিন হিটস্ট্রোকে আক্রান্ত ও মৃত্যুর পরিসংখ্যান নির্দিষ্ট পোর্টালে জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। কলকাতার ক্ষেত্রে ইমেলের মাধ্যমে সরাসরি রিপোর্ট পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রমাণিত ছবিসহ কাজের অগ্রগতি রিপোর্ট করার এই নির্দেশিকাকে বর্তমান আবহাওয়া পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের জীবন বাঁচাতে রাজ্যের এক বড়সড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখছে বিশেষজ্ঞ মহল।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *