০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home ভারতবর্ষ পশ্চিমবঙ্গ ‘দিল্লি দখলের পর নাড়ু পাঠাব’, সংসদে মোদি সরকারের ‘হার’ নিয়ে তারকেশ্বর থেকে তীব্র কটাক্ষ মমতার
পশ্চিমবঙ্গভারতবর্ষ

‘দিল্লি দখলের পর নাড়ু পাঠাব’, সংসদে মোদি সরকারের ‘হার’ নিয়ে তারকেশ্বর থেকে তীব্র কটাক্ষ মমতার

Share
‘দিল্লি দখলের পর নাড়ু পাঠাব’, সংসদে মোদি সরকারের ‘হার’ নিয়ে তারকেশ্বর থেকে তীব্র কটাক্ষ মমতার
প্রতীকী ছবি
Share

তারকেশ্বর: দীর্ঘ ১২ বছর পর সংসদে মোদি সরকারের ভোটাভুটিতে পরাজয়কে ‘পতনের শুরু’ বলে চিহ্নিত করলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার হুগলির তারকেশ্বরে দলীয় প্রার্থীদের সমর্থনে আয়োজিত জনসভা থেকে বিজেপি তথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নজিরবিহীন ভাষায় আক্রমণ শানালেন তিনি। 

[TECHTARANGA-POST:8165]

মহিলা সংরক্ষণ বিল ঘিরে সংসদে ভোটাভুটিতে সরকারের পরাজয় প্রসঙ্গ টেনে মমতা বলেন, “লোকসভায় যা রায় হয়েছে, তাতে এই সরকার আর টিকবে না। ছাব্বিশেই পতন শুরু হয়ে গিয়েছে, এখন শুধুই যাওয়ার অপেক্ষা।” আত্মবিশ্বাসের সুরে তিনি দাবি করেন, ইন্ডিয়া জোটের সব সাংসদ সেদিন উপস্থিত থাকলে বিজেপি আরও বড় ব্যবধানে হারত। আগামী দিনে দিল্লি দখলের হুঁশিয়ারি দিয়ে তাঁর শ্লেষাত্মক মন্তব্য, “নাম, ঠিকানা লিখে রাখুন, দিল্লি দখলের পর ওদের মিষ্টি পাঠাব, একটু নাড়ু করে পাঠাব।”

[TECHTARANGA-POST:8154]

এদিন জনসভা থেকে প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিও তোলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, ক্ষমতায় আসার আগে সাধারণ মানুষের অ্যাকাউন্টে ১৫ লক্ষ টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন মোদি, যা আদতে এক বড় ‘মিথ্যা’। তিনি প্রশ্ন তোলেন, “টাকা না পেলে প্রধানমন্ত্রী কেন মিথ্যা কথা বললেন? এই মিথ্যার দায়ে ওঁর পদত্যাগ করা উচিত।” নরেন্দ্র মোদিকে ‘বহিরাগত’ তকমা দিয়ে মমতা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে বলেন, বাংলায় এসে নির্বাচনে লড়াই করলে প্রধানমন্ত্রী গো-হারা হারবেন। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় এজেন্সির লাগাতার তল্লাশি নিয়েও তীব্র ক্ষোভ উগরে দেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী প্রশ্ন তোলেন, কেন বারবার শুধু তৃণমূলের প্রার্থী ও নেতাদের বাড়িতেই রেইড হবে?

[TECHTARANGA-POST:8152]

রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে নাম না করে ‘গদ্দার’ ও ‘চোর’ বলে আক্রমণ করেন মমতা। তাঁর চাঁচাছোলা প্রশ্ন, “বিজেপির বাড়িতে কেন তল্লাশি হবে না? সব চেয়ে বড় চোরের বাড়ি কেন রেইড হবে না? তাঁর ভাই বা বাবার বাড়িতে কেন এজেন্সিকে পাঠানো হচ্ছে না?” মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, কেন্দ্রীয় সংস্থাকে রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে তৃণমূলকে দমানোর চেষ্টা করছে বিজেপি, কিন্তু বাংলার মানুষ ইভিএমে এর যোগ্য জবাব দেবে। সব মিলিয়ে, সংসদের ভোটাভুটিতে মোদি সরকারের ধাক্কাকে হাতিয়ার করে এদিন তারকেশ্বরের মাটি থেকে দিল্লি জয়ের ডাক দিয়ে ভোটের পারদ একধাক্কায় অনেকটা চড়িয়ে দিলেন তৃণমূল নেত্রী।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *