০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home ভারতবর্ষ দিল্লি ‘জাতির উদ্দেশে ভাষণ’ নাকি নির্বাচনী প্রচার? মোদীর বিরুদ্ধে লোকসভায় স্বাধিকার ভঙ্গের নোটিস কংগ্রেসের!
দিল্লিপশ্চিমবঙ্গভারতবর্ষ

‘জাতির উদ্দেশে ভাষণ’ নাকি নির্বাচনী প্রচার? মোদীর বিরুদ্ধে লোকসভায় স্বাধিকার ভঙ্গের নোটিস কংগ্রেসের!

Share
‘জাতির উদ্দেশে ভাষণ’ নাকি নির্বাচনী প্রচার? মোদীর বিরুদ্ধে লোকসভায় স্বাধিকার ভঙ্গের নোটিস কংগ্রেসের!
FILE IMAGE
Share

নয়াদিল্লি: পশ্চিমবঙ্গ ও তামিলনাড়ুর বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক মুখে জাতীয় রাজনীতিতে মহাপ্রলয়! খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিরুদ্ধে লোকসভায় স্বাধিকার ভঙ্গের (Privilege Motion) নোটিস দিল কংগ্রেস। প্রবীণ কংগ্রেস নেতা কে. সি. বেণুগোপালের আনা এই নোটিস কেন্দ্র করে সংসদ থেকে শুরু করে রাজনৈতিক মহলে তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। কংগ্রেসের দাবি, প্রধানমন্ত্রী তাঁর পদের গরিমা ক্ষুণ্ণ করে সরকারি মঞ্চকে নির্লজ্জভাবে দলীয় রাজনীতির আখড়ায় পরিণত করেছেন!

[TECHTARANGA-POST:8244]

বিবাদের মূলে রয়েছে গত ১৮ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রীর ‘জাতির উদ্দেশে ভাষণ’। কংগ্রেসের অভিযোগ, যখন দেশের পাঁচ রাজ্যে নির্বাচনী আচরণবিধি (Model Code of Conduct) কার্যকর রয়েছে, তখন প্রধানমন্ত্রী সরকারি প্রচারমাধ্যম দূরদর্শন ও অল ইন্ডিয়া রেডিয়ো ব্যবহার করে কার্যত বিজেপির হয়ে সওয়াল করেছেন। আধঘণ্টার সেই ভাষণে প্রধানমন্ত্রী ৫৯ বার ‘কংগ্রেস’ নাম উচ্চারণ করে আক্রমণ শানিয়েছেন বলে দাবি হাত শিবিরের। মোদী অভিযোগ করেছিলেন, মহিলা সংরক্ষণ সংশোধনী আটকে দিয়ে বিরোধীরা ‘ভ্রূণহত্যা’র মতো পাপ করেছে।

[TECHTARANGA-POST:8232]

এই ভাষণের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই নির্বাচন কমিশনে সরব হয়েছেন ৭০০-র বেশি বিশিষ্ট নাগরিক। তাঁদের দাবি, সরকারি সুযোগ-সুবিধা ব্যবহার করে ভোটের মুখে এমন ভাষণ নির্বাচনের সমতা ও স্বচ্ছতা নষ্ট করেছে। কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ সোশ্যাল মিডিয়ায় তোপ দেগে জানিয়েছেন, “জাতির উদ্দেশে ভাষণ জাতীয় সংহতির জন্য হয়। কিন্তু, প্রধানমন্ত্রী সেই মঞ্চকে রাজনৈতিক তোপ দাগার জন্য ব্যবহার করেছেন। এটি তাঁর প্রধানমন্ত্রিত্বের ইতিহাসে একটি স্থায়ী কালো দাগ হয়ে থাকবে।”

[TECHTARANGA-POST:8228]

ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগে প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে কংগ্রেসের এই ‘সংসদীয় স্ট্রাইক’ জাতীয় রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করল। লোকসভার স্পিকার এই নোটিস গ্রহণ করেন কিনা এবং নির্বাচন কমিশন এ বিষয়ে কী পদক্ষেপ করে, এখন সেটাই দেখার।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *