০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home পশ্চিমবঙ্গ কলকাতা “বাঘিনীর মতো লড়ছেন দিদি!” মমতার প্রশংসায় পঞ্চমুখ উদ্ধব
কলকাতাপশ্চিমবঙ্গভারতবর্ষ

“বাঘিনীর মতো লড়ছেন দিদি!” মমতার প্রশংসায় পঞ্চমুখ উদ্ধব

Share
"বাঘিনীর মতো লড়ছেন দিদি!" মমতার প্রশংসায় পঞ্চমুখ উদ্ধব
প্রতীকী ছবি
Share

মুম্বই: ২০২৬-এ বাংলার নির্বাচনী ময়দানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমর্থনে এবার গর্জে উঠলেন মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা শিবসেনা (উদ্ধব গোষ্ঠী) সুপ্রিমো উদ্ধব ঠাকরে। মমতাকে ‘বাংলার বাঘিনী’ আখ্যা দিয়ে তিনি সাফ জানিয়ে দিলেন, এই লড়াইয়ে তৃণমূল নেত্রীরই জয় হওয়া উচিত। মহারাষ্ট্রের এক জনসভা থেকে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এবং নির্বাচন কমিশনের অতিসক্রিয়তাকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন উদ্ধব।

[TECHTARANGA-POST:8272]

বাংলার বিধানসভা নির্বাচনে বাম-কংগ্রেস বিরোধী অবস্থানে থাকলেও, ‘ইন্ডিয়া’ (I.N.D.I.A.) জোটের অন্য শরিকরা কিন্তু তৃণমূলের পাশেই রয়েছে। অরবিন্দ কেজরিওয়াল, অখিলেশ যাদব থেকে শুরু করে হেমন্ত সোরেন – সকলেই মমতার হয়ে সুর চড়িয়েছেন। এবার সেই তালিকায় যোগ দিলেন উদ্ধব ঠাকরেও। তাঁর মতে, একা এক নারী যেভাবে বিজেপির সর্বশক্তিকে মোকাবিলা করছেন, তা প্রশংসার যোগ্য।

[TECHTARANGA-POST:8274]

বাংলার প্রচারে আসা মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবীসকে খোঁচা দিয়ে উদ্ধব বলেন, “মহারাষ্ট্রে আইনশৃঙ্খলার বেহাল দশা, ড্রাগ র‍্যাকেট চলছে – তা সামলাতে না পেরে মুখ্যমন্ত্রী গিয়েছেন বাংলায় প্রচার করতে!” শুধু তাই নয়, বাংলায় বিপুল পরিমাণ কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা নিয়েও তাঁর কটাক্ষ, “বাংলায় ২০ লক্ষ কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠিয়ে জেতার চেষ্টা করছে বিজেপি। অথচ, মণিপুরে জাতিদাঙ্গা রুখতে ৫০ হাজার বাহিনীও ছিল না।”

[TECHTARANGA-POST:8275]

রাজনৈতিক মহলের মতে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং উদ্ধব ঠাকরের ব্যক্তিগত রসায়ন বহুদিনের। গত লোকসভা ভোটের পরও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে মুম্বই গিয়ে উদ্ধবের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন। তাই, বিধানসভা নির্বাচনের আবহে উদ্ধবের এই মন্তব্য তৃণমূলের মনোবল যে অনেকটাই বাড়াবে, তা বলাই বাহুল্য। বিশেষ করে মারাঠা শিবিরের এই সমর্থন বিজেপির ‘হিন্দুত্ব’ তাসকে বাংলার মাটিতে কিছুটা হলেও চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *