০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home পশ্চিমবঙ্গ আইন-কানুন বুথে-বুথে বন্দুকধারী পাহারাদার! দ্বিতীয় দফায় জেলাভিত্তিক বাহিনীর তালিকায় বড় চমক
আইন-কানুনকলকাতাপশ্চিমবঙ্গপশ্চিমবঙ্গ

বুথে-বুথে বন্দুকধারী পাহারাদার! দ্বিতীয় দফায় জেলাভিত্তিক বাহিনীর তালিকায় বড় চমক

Share
বুথে-বুথে বন্দুকধারী পাহারাদার! দ্বিতীয় দফায় জেলাভিত্তিক বাহিনীর তালিকায় বড় চমক
FILE IMAGE
Share

কলকাতা: প্রথম দফার অভূতপূর্ব সাফল্যের পর এবার দ্বিতীয় দফার মহারণ। আগামী বুধবার রাজ্যের ১৪২টি কেন্দ্রে হতে চলেছে ভোটগ্রহণ। আর, এই দফায় নিরাপত্তায় কোনও ফাঁক রাখতে চাইছে না নির্বাচন কমিশন। নজিরবিহীনভাবে মোতায়েন করা হচ্ছে ২,২৩১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। যার সিংহভাগই থাকছে কলকাতায়। তবে, কোন জেলায় কত বাহিনী? কমিশনের তরফে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ পেতেই শুরু হয়েছে জোর চর্চা।

[TECHTARANGA-POST:8393]

কমিশন সূত্রে খবর, দ্বিতীয় দফার ভোটে সবথেকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে কলকাতাকে। তিলোত্তমার বুথগুলিতে নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলতে ২৭৩ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। এর ঠিক পরেই রয়েছে পূর্ব বর্ধমান। যেখানে পাঠানো হচ্ছে ২৬০ কোম্পানি বাহিনী। গ্রামীণ এলাকার মধ্যে হুগলি গ্রামীণ পাচ্ছে ২৩৪ কোম্পানি বাহিনী।

এক নজরে জেলাভিত্তিক বাহিনীর বিন্যাস:

দ্বিতীয় দফার লড়াইয়ে শান্তিরক্ষা করতে যে বিপুল বাহিনী নামছে, তার একটি তালিকা নীচে দেওয়া হল –

পুলিশ জেলা/কমিশনারেট বাহিনীর পরিমাণ (কোম্পানি)

কলকাতা ২৭৩

পূর্ব বর্ধমান ২৬০

হুগলি গ্রামীণ ২৩৪

বারুইপুর পুলিশ জেলা ১৬১

বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেট ১৬০

কৃষ্ণনগর পুলিশ জেলা ১৫৮

হাওড়া গ্রামীণ ১৪৭

[TECHTARANGA-POST:8326]

ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলা ১৩৫

রানাঘাট পুলিশ জেলা ১২৭

বসিরহাট পুলিশ জেলা ১২৩

সুন্দরবন পুলিশ জেলা ১১৩

বারাসত পুলিশ জেলা ১১২

[TECHTARANGA-POST:8338]

হাওড়া পুলিশ কমিশনারেট ১১০

চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেট ৮৩

বনগাঁ পুলিশ জেলা ৬২

বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেট ৫০

আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেট ১৩

আশ্চর্যের বিষয় হল, আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেট এলাকায় সবথেকে কম, মাত্র ১৩ কোম্পানি বাহিনী দেওয়া হয়েছে। কমিশনের এই ভারসাম্য বজায় রাখার কৌশলের পিছনে এলাকাভিত্তিক স্পর্শকাতরতা কাজ করছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

[TECHTARANGA-POST:8382]

প্রথম দফার ১৫২টি আসনে কোথাও পুনর্নির্বাচনের প্রয়োজন পড়েনি। সেই ‘ক্লিন চিট’ বজায় রাখাই এখন কমিশনের চ্যালেঞ্জ। ভোট পরিচালনার জন্য ১৪২ জন জেনারেল অবজার্ভার এবং ৯৫ জন পুলিশ অবজার্ভার প্রতি মুহূর্তে নজরদারি চালাবেন। বুথে-বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতিতে মানুষ যাতে নির্ভয়ে ভোট দিতে পারেন, সেটাই সুনিশ্চিত করতে চায় কমিশন।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *