০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home পশ্চিমবঙ্গ আইন-কানুন ইভিএম-এ টেপ লাগিয়ে ‘ভোট চুরি’! ফলতার ৩০ বুথে পুনর্নির্বাচনের সুপারিশ পর্যবেক্ষক সুব্রতর
আইন-কানুনপশ্চিমবঙ্গ

ইভিএম-এ টেপ লাগিয়ে ‘ভোট চুরি’! ফলতার ৩০ বুথে পুনর্নির্বাচনের সুপারিশ পর্যবেক্ষক সুব্রতর

Share
ইভিএম-এ টেপ লাগিয়ে ‘ভোট চুরি’! ফলতার ৩০ বুথে পুনর্নির্বাচনের সুপারিশ পর্যবেক্ষক সুব্রতর
প্রতীকী ছবি
Share

ফলতা: ভোট মিটলেও বিতর্ক পিছু ছাড়ছে না দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতা বিধানসভাকেন্দ্রের। স্ক্রুটিনির পর ফলতার অন্তত ৩০টি বুথে পুনর্নির্বাচনের প্রস্তাব পাঠালেন বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত। ইভিএম-এ টেপ লাগিয়ে বিরোধী দলের প্রতীক ঢেকে দেওয়া থেকে শুরু করে সিসিটিভি ক্যামেরা বন্ধ রাখা – স্ক্রুটিনিতে উঠে এসেছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য!

[TECHTARANGA-POST:8654]

কমিশন সূত্রে খবর, ফলতার একাধিক বুথে ভোট চলাকালীন ওয়েবকাস্টিংয়ের ক্যামেরা পরিকল্পিতভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। ফলে কন্ট্রোল রুমে কোনও তথ্যই পৌঁছায়নি। যদিও এক্ষেত্রে নেটওয়ার্কের সমস্যার দোহাই দেওয়া হয়। সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে ইভিএম-এর উপর কালো টেপ লাগানো নিয়ে। অভিযোগ, বিরোধী দলের চিহ্নের উপর টেপ লাগিয়ে দেওয়া হয়েছিল যাতে ভোটাররা অন্য কোথাও বোতাম টিপতে না পারেন! দুপুর ১টা পর্যন্ত নাকি এই অবস্থাতেই ভোট চলে! ততক্ষণে ওই বুথগুলিতে প্রায় ৫৮ শতাংশ ভোট পড়ে গিয়েছিল। প্রিসাইডিং অফিসার ১টার পর টেপ সরানোর কথা জানালেও, ততক্ষণে ভোটারদের একাংশের ভোটাধিকার কার্যত কেড়ে নেওয়া হয়েছে বলে মনে করছে কমিশন।

[TECHTARANGA-POST:8645]

শুধু ফলতা নয়, পুনর্নির্বাচন করানোর প্রস্তাব গিয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার আরও কয়েকটি কেন্দ্রে। বিশেষ পর্যবেক্ষকের রিপোর্টে ডায়মন্ড হারবার বিধানসভার চারটি এবং মগরহাট পশ্চিমের ১১টি বুথেও ফের ভোটের সুপারিশ করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, এই সবকটি এলাকাই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লোকসভাকেন্দ্রের অন্তর্গত, যা নিয়ে রাজনৈতিক উত্তেজনা তুঙ্গে। ফলতার বেশ কিছু বুথে ১০০ শতাংশ ভোট পড়ার ঘটনাকেও ‘অস্বাভাবিক’ বলে চিহ্নিত করেছেন পর্যবেক্ষক।

[TECHTARANGA-POST:8636]

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের নির্দেশে বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত নিজে সরেজমিনে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে এই রিপোর্ট দিয়েছেন। বিরোধীদের অভিযোগ ছিল, ফলতার তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খানের অনুগামীরা পরিকল্পিতভাবে এই রিগিং চালিয়েছে। যদিও শাসকদল সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে। এই ৩০টি বুথে আদৌ কবে পুনর্নির্বাচন হবে, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে নির্বাচন কমিশন। ৪ঠা মে গণনার আগে এই রিপোল রাজ্যের ভোট রাজনীতিতে নতুন মোড় আনতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *