০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home পশ্চিমবঙ্গ গরদের ধুতি-পাঞ্জাবিতে পুরোদস্তুর ‘বাঙালিবাবু’ মোদী! ২৫ বৈশাখেই শপথ, দিল্লি থেকেই ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর
পশ্চিমবঙ্গ

গরদের ধুতি-পাঞ্জাবিতে পুরোদস্তুর ‘বাঙালিবাবু’ মোদী! ২৫ বৈশাখেই শপথ, দিল্লি থেকেই ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

Share
গরদের ধুতি-পাঞ্জাবিতে পুরোদস্তুর ‘বাঙালিবাবু’ মোদী! ২৫ বৈশাখেই শপথ, দিল্লি থেকেই ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর
সংগৃহীত
Share

নয়াদিল্লি: বাংলার মসনদে ঐতিহাসিক পরিবর্তনের পর আজ রাজধানী দিল্লির বিজেপি সদর দফতরে এক অভাবনীয় দৃশ্যের সাক্ষী থাকল গোটা দেশ। ঘিয়ে রঙের গরদের ধুতি, অফ-হোয়াইট তসরের পাঞ্জাবি আর কাঁধে পাড়ওয়ালা উত্তরীয়— একেবারে ‘বাঙালিবাবু’ সেজে মঞ্চে অবতীর্ণ হলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ২০০-র বেশি আসনে লিড নিয়ে বাংলায় তৃণমূল শাসনের অবসান ঘটানোর পর প্রধানমন্ত্রীর এই সাজ আসলে বাঙালির জাতিসত্তা ও অস্মিতার প্রতি এক বিশেষ বার্তা বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

[TECHTARANGA-POST:8774]

বিজয় মঞ্চ থেকে প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেন, আগামী ৯ মে অর্থাৎ ২৫ বৈশাখ, রবীন্দ্রজয়ন্তীর পুণ্যতিথিতেই বাংলায় নতুন মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। মোদী বলেন, “গঙ্গোত্রী থেকে গঙ্গাসাগর পর্যন্ত আজ সর্বত্র পদ্ম ফুটেছে। আজ থেকে বাংলা ভয়মুক্ত হল। এই জয়ের মাধ্যমে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের আত্মা শান্তি পেল।” তিনি আরও যোগ করেন, বন্দে মাতরমের ১৫০ বছরে বাংলার মানুষ ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র ও ঋষি অরবিন্দকে যোগ্য সম্মান জানিয়েছে।

[TECHTARANGA-POST:8772]

বক্তব্যে বিদায়ী তৃণমূল সরকারকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করে মোদী জানান, রাজ্যে হিংসা ও তোষণের রাজনীতিকে শিকড় থেকে উপড়ে ফেলেছে মানুষ। তাঁর প্রতিশ্রুতি, “প্রথম ক্যাবিনেটেই বাংলায় আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প চালু হবে। যুবরা কাজ পাবে এবং মহিলারা সুরক্ষিত থাকবে। অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে নেওয়া হবে কড়া পদক্ষেপ।” উল্লেখযোগ্যভাবে তিনি মনে করিয়ে দেন, এই প্রথমবার বাংলার নির্বাচনে সাধারণ মানুষের মৃত্যু হয়নি, যা গণতন্ত্রের এক বড় জয়।

[TECHTARANGA-POST:8770]

কংগ্রেস ও বামেদেরও একহাত নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজ ভারতের কোথাও কমিউনিস্ট সরকার নেই। কংগ্রেস আর্বান নকশালদের জায়গা দিচ্ছে, কিন্তু মা-বোনেরা আজ কংগ্রেস, টিএমসি ও ডিএমকে-কে যোগ্য শাস্তি দিয়েছেন।” বক্তব্যের শেষে তাঁর বার্তা ছিল পরিষ্কার— বদলা নয়, বদল চাই। কে কাকে ভোট দিয়েছে তার ঊর্ধ্বে উঠে এখন বিকশিত বাংলার জন্য কাজ করাই হবে নতুন সরকারের প্রধান লক্ষ্য।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *