০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home পশ্চিমবঙ্গ কলকাতা “দল থেকে ঘাড়ধাক্কা দেওয়া হবে!” হিংসা রুখতে অতি-উৎসাহী কর্মীদের চরম হুঁশিয়ারি শমীকের, নবান্নকেও বড় বার্তা
কলকাতাপশ্চিমবঙ্গ

“দল থেকে ঘাড়ধাক্কা দেওয়া হবে!” হিংসা রুখতে অতি-উৎসাহী কর্মীদের চরম হুঁশিয়ারি শমীকের, নবান্নকেও বড় বার্তা

Share
Share

কলকাতা: রাজ্যে ক্ষমতার পালাবদলের পরই ভোট-পরবর্তী হিংসা রুখতে নজিরবিহীন কঠোর অবস্থান নিল বিজেপি। মঙ্গলবার স্পষ্ট ভাষায় দলের রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য জানিয়ে দিলেন, বিজেপির পতাকা নিয়ে কোথাও ভাঙচুর বা অশান্তি করা হলে অভিযুক্তকে সরাসরি দল থেকে বহিষ্কার করা হবে। একইসঙ্গে, রাজ্যের মুখ্যসচিব দুষ্মন্ত নারিওয়ালাকেও রাজনীতির রং না দেখে কঠোর পদক্ষেপ করার আর্জি জানিয়েছেন তিনি।

[TECHTARANGA-POST:8793]

সোমবারের ফলাফলে ২০৭টি আসন নিয়ে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে বিজেপি। জয়ের আনন্দে রাজ্যে যাতে কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি না হয়, তা নিশ্চিত করতে মঙ্গলবার বিধাননগরের দলীয় দফতরে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকদের নিয়ে বিশেষ বৈঠকে বসেছিল শীর্ষ নেতৃত্ব। সেই বৈঠকেই স্থির হয়েছে, ২০২১ সালের ঘটনার পুনরাবৃত্তি কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না।

[TECHTARANGA-POST:8783]

রাজ্যবাসীকে ধন্যবাদ জানিয়ে দলীয় কর্মীদের উদ্দেশে শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “জয়ের আনন্দে কাউকে আঘাত করবেন না। কারও ভাবাবেগে আঘাত দেবেন না। আমরা শুনেছি, কিছু জায়গায় বিজেপির পতাকা নিয়ে ভাঙচুর করা হচ্ছে। এর তীব্র বিরোধিতা করছি। কেউ এমন কাজ করলে আমরা তাঁকে দল থেকে বার করে দিতে বাধ্য হব।”

[TECHTARANGA-POST:8758]

এই প্রসঙ্গে মুখ্যসচিবের উদ্দেশে বিজেপির রাজ্য সভাপতির বার্তা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। তিনি বলেন, “প্রশাসনকে বলব, কোথাও কোনও হিংসার ঘটনা ঘটলে কড়া ব্যবস্থা নিন। এই জন্যই বাংলার মানুষ বিজেপিকে বেছে নিয়েছে। আমাদের সামনে এখন বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে।”

[TECHTARANGA-POST:8761]

এদিন প্রতিকূলতা পেরিয়ে গাঁটের কড়ি খরচ করে ভোট দিতে আসায় পরিযায়ী শ্রমিকদের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন শমীক। তিনি জানান, ‘গঙ্গোত্রী থেকে গঙ্গাসাগর’ পর্যন্ত যে স্বপ্ন বিজেপি দেখেছিল, তা আজ সফল। তবে, এই জয়কে কালিমালিপ্ত করতে চায় না দল। বিধাননগরের বৈঠক শেষে দলের সর্বস্তরের কর্মীদের শান্তি বজায় রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিজেপি নেতৃত্ব সাফ জানিয়েছে, বাংলার প্রতিটি মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এখন তাদের প্রথম লক্ষ্য।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *