০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home পশ্চিমবঙ্গ কলকাতা শপথ নিয়েই জোড়াসাঁকোয় শুভেন্দু! ‘বিতর্কিত কথা বলব না’, কার জন্য এই বার্তা নবনির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রীর?
কলকাতাপশ্চিমবঙ্গ

শপথ নিয়েই জোড়াসাঁকোয় শুভেন্দু! ‘বিতর্কিত কথা বলব না’, কার জন্য এই বার্তা নবনির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রীর?

Share
শপথ নিয়েই জোড়াসাঁকোয় শুভেন্দু! ‘বিতর্কিত কথা বলব না’, কার জন্য এই বার্তা নবনির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রীর?
ছবি: সংগৃহীত
Share

কলকাতা: ২৫ বৈশাখ, রবীন্দ্র জয়ন্তী। এই দিনেই বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হল। শনিবার ব্রিগেডের জনসমুদ্রে দাঁড়িয়ে পশ্চিমবঙ্গের নবম মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিলেন মেদিনীপুরের ভূমিপুত্র শুভেন্দু অধিকারী। কিন্তু, রাজকীয় শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান শেষ হতে না হতেই এক নজিরবিহীন পদক্ষেপ করলেন তিনি। রাজভবন বা মহাকরণ নয়, নবনির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রীর প্রথম গন্তব্য হল জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ি। সেখান থেকেই তিনি দিলেন ঐক্যের বার্তা।

[TECHTARANGA-POST:8918]

শপথ মঞ্চে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উষ্ণ আলিঙ্গন এবং যোগী আদিত্যনাথের গেরুয়া উত্তরীয়র সম্ভাষণ গ্রহণ করার পর সোজা জোড়াসাঁকো পৌঁছন শুভেন্দু। বিশ্বকবির প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করে তিনি সংবাদমাধ্যমের সামনে যা বললেন, তা রীতিমতো চমকে দিয়েছে অনেককে। চিরকাল চাঁছাছোলা ভাষায় আক্রমণ করা শুভেন্দুর গলায় এদিন শোনা গেল এক শান্ত ও সংযত স্বর। তিনি সাফ জানিয়ে দিলেন, “আমি এখন মুখ্যমন্ত্রী। আমি এখন সকলের। এখন আর রাজনীতির লড়াই নয়, বরং ‘শুভ বুদ্ধির উদয়’ ও ‘নবজাগরণে’র সময়।”

[TECHTARANGA-POST:8914]

রাজনৈতিক মহলের মতে, শুভেন্দুর এই ‘ভোলবদল’ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ২০৭টি আসন নিয়ে নিরঙ্কুশ ক্ষমতায় আসার পর তিনি বুঝিয়ে দিলেন, এখন তিনি কেবল একটি দলের নেতা নন, বরং গোটা রাজ্যের অভিভাবক। তিনি স্পষ্ট বলেন, “এখন একে অপরের সমালোচনার সময় নয়, দায়িত্ব পালনের সময়। বাংলা ও বাঙালির সংস্কৃতির বিকাশ কবিগুরুর চেতনাতেই হবে।”

[TECHTARANGA-POST:8898]

এদিন ব্রিগেডের মঞ্চে শুভেন্দুর সঙ্গে শপথ নিয়েছেন তাঁর মন্ত্রিসভার প্রথম পাঁচ সদস্য — দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পাল, অশোক কীর্তনিয়া, ক্ষুদিরাম টুডু এবং নিশীথ প্রামাণিক। যখন পরাজয়ের গ্লানি নিয়ে বিরোধী শিবিরের অন্দরে ‘গৃহযুদ্ধ’ চরমে, তখন রবীন্দ্র জয়ন্তীর দিনটিকে শপথের জন্য বেছে নেওয়া এবং প্রথম গন্তব্য হিসাবে জোড়াসাঁকো সফর করে শুভেন্দু কার্যত বাঙালির আবেগের রাশ নিজের হাতে তুলে নিলেন। বিরোধীদের প্রতি কোনও তিক্ততা না দেখিয়ে তাঁর এই ‘সবকা সাথ’ বার্তা কি তবে বাংলার রাজনীতিতে এক নতুন ঘরানার সূচনা করল? উত্তর দেবে ভবিষ্যৎ।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *