০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home দিল্লি আইন-কানুন শ্রমিক সুরক্ষায় বড় পদক্ষেপ! ৪৮ ঘণ্টার কর্মসপ্তাহ ও ন্যূনতম বেতন নিশ্চিত করে দেশজুড়ে জারি নয়া শ্রমবিধি
আইন-কানুনদিল্লিভারতবর্ষ

শ্রমিক সুরক্ষায় বড় পদক্ষেপ! ৪৮ ঘণ্টার কর্মসপ্তাহ ও ন্যূনতম বেতন নিশ্চিত করে দেশজুড়ে জারি নয়া শ্রমবিধি

Share
শ্রমিক সুরক্ষায় বড় পদক্ষেপ! ৪৮ ঘণ্টার কর্মসপ্তাহ ও ন্যূনতম বেতন নিশ্চিত করে দেশজুড়ে জারি নয়া শ্রমবিধি
প্রতীকী ছবি
Share

নয়াদিল্লি: দীর্ঘ পাঁচ বছরের প্রতীক্ষার অবসান। অবশেষে ২৯টি শ্রম আইনকে একত্রিত করে চারটি লেবার কোড বা শ্রমবিধি পূর্ণাঙ্গভাবে কার্যকর করল কেন্দ্র। ২০১৯ এবং ২০২০ সালে পাশ হওয়া এই কোডগুলির নিয়মাবলী (Rules) এবার সরকারি গেজেটে বিজ্ঞপ্তি আকারে প্রকাশিত হয়েছে। এর ফলে দেশের কোটি কোটি শ্রমিকের ন্যূনতম বেতন, সামাজিক সুরক্ষা এবং কর্মক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবিধি সুনিশ্চিত করার আইনি প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ হল।

[TECHTARANGA-POST:8959]

কেন্দ্রীয় সরকার সূত্রে জানা গিয়েছে, সহজে ব্যবসা করার পরিবেশ তৈরি (Ease of Doing Business) এবং প্রতিটি শ্রমিকের অধিকার রক্ষার লক্ষ্যেই এই পরিবর্তন আনা হয়েছে। নয়া বিধি অনুযায়ী, সপ্তাহে কাজের সময় সর্বোচ্চ ৪৮ ঘণ্টায় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, সপ্তাহে অন্তত একদিন সবেতন ছুটি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। যদি কোনও শ্রমিক নির্ধারিত সময়ের বেশি কাজ করেন, তবে তাঁকে ওভারটাইম বা অতিরিক্ত মজুরি দিতে নিয়োগকর্তা বাধ্য থাকবেন।

[TECHTARANGA-POST:8950]

শ্রমিকদের স্বাস্থ্যের দিকে নজর রেখে নয়া বিধিতে ৪০ বছর বা তার বেশি বয়সী শ্রমিকদের বিনামূল্যে বার্ষিক স্বাস্থ্য পরীক্ষার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। মহিলাদের জন্য সম কাজে সম বেতন এবং রাতে ভিন্ন শিফটে কাজ করার আইনি সুরক্ষাও দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, শ্রমিকদের নিয়োগপত্র দেওয়া এখন থেকে বাধ্যতামূলক। কোনও শ্রমিক কাজ হারালে তাঁদের পুনরায় প্রশিক্ষণের জন্য ‘ন্যাশনাল রিস্কিলিং ফান্ড’ গঠন করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে গেজেটে।

[TECHTARANGA-POST:8939]

উল্লেখ্য, শ্রম বিষয়টি কেন্দ্র ও রাজ্যের যৌথ তালিকার অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় এই নিয়মবিধি দেশব্যাপী কার্যকর করতে রাজ্যগুলিকেও প্রয়োজনীয় বিজ্ঞপ্তি জারি করতে হবে। এক সরকারি আধিকারিকের কথায়, “এত দিন আইন তৈরি হলেও নিয়মবিধির অভাবে কিছু ধোঁয়াশা ছিল। নয়া গেজেট সেই অস্পষ্টতা দূর করে শ্রমিক ও মালিক উভয় পক্ষের জন্যই একটি স্বচ্ছ কাঠামো তৈরি করল।”

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *