০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home পশ্চিমবঙ্গ কলকাতা সরকারি অফিসে এবার ‘টাইট’ ডিউটি! ১০টা ১৫-র মধ্যে না ঢুকলে বিপদ? কড়া নির্দেশ জারি শুভেন্দু সরকারের
কলকাতাপশ্চিমবঙ্গ

সরকারি অফিসে এবার ‘টাইট’ ডিউটি! ১০টা ১৫-র মধ্যে না ঢুকলে বিপদ? কড়া নির্দেশ জারি শুভেন্দু সরকারের

Share
সরকারি অফিসে এবার ‘টাইট’ ডিউটি! ১০টা ১৫-র মধ্যে না ঢুকলে বিপদ? কড়া নির্দেশ জারি শুভেন্দু সরকারের
প্রতীকী ছবি
Share

কলকাতা: নবান্ন থেকে রাইটার্স — রাজ্যের সরকারি অফিসগুলিতে এবার ফিরছে ঘড়ি ধরা কড়া নিয়মানুবর্তিতা। মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব নেওয়ার পরই বাংলার কর্মসংস্কৃতি আমূল বদলে দিতে কোমর বেঁধে নামলেন শুভেন্দু অধিকারী। মঙ্গলবার রাজ্য সরকারের ডেপুটি সেক্রেটারির পক্ষ থেকে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, এবার থেকে আর ঢিলেমি চলবে না। সরকারি কর্মীদের পালন করতে হবে ‘দশটা-পাঁচটা’র কড়া ডিউটি।

[TECHTARANGA-POST:9046]

রাজ্য অর্থ দপ্তরের তরফে জারি করা ওই বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সমস্ত সরকারি কর্মীকে সকাল ১০টা ১৫ মিনিটের মধ্যে নিজ নিজ বিভাগীয় দফতরে হাজিরা দিতে হবে। শুধু তাই নয়, কাজ শেষ না করে বা মাঝপথে বিরতির দোহাই দিয়ে অফিস থেকে বেরোনো যাবে না। বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটের আগে কোনও কর্মী অফিস ত্যাগ করতে পারবেন না। বিজ্ঞপ্তিতে পরিষ্কার উল্লেখ রয়েছে, জনপরিষেবা এবং দফতরের কাজ মসৃণভাবে পরিচালনার স্বার্থেই এই সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে।

[TECHTARANGA-POST:9033]

বাম আমলে সরকারি দফতরে কাজের শ্লথ গতি নিয়ে ‘আঠেরো মাসে বছর’ — এই কটাক্ষ ছিল সাধারণ মানুষের মুখে-মুখে। তৃণমূল কংগ্রেসের জমানায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লাল ফিতের ফাঁস আলগা করতে প্রশাসনিক বৈঠক থেকে কড়া হুঁশিয়ারি দিলেও, ছুটির আধিক্য নিয়ে বিরোধীদের সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছিল সেই সরকারকে। এবার বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসতেই সেই চেনা ছবিটা বদলে দিতে চাইছে। ঘড়ি ধরে হাজিরা নিশ্চিত করে প্রশাসনিক কাজের গতি বাড়ানোই এখন মূল লক্ষ্য শুভেন্দু সরকারের।

[TECHTARANGA-POST:9017]

রাজনৈতিক মহলের মতে, নতুন সরকার এটা বুঝিয়ে দিতে চাইছে যে ফাঁকিবাজি আর বরদাস্ত করা হবে না। দফতরে দফতরে জমে থাকা ফাইলের পাহাড় দ্রুত নিষ্পত্তি করতেই এই কড়াকড়ি। এখন দেখার, দীর্ঘদিনের অনভ্যাস কাটিয়ে সরকারি কর্মীরা এই নতুন ‘টাইম টেবিল’-এর সঙ্গে কতটা মানিয়ে নিতে পারেন। তবে সাধারণ মানুষ যে এই সিদ্ধান্তে খুশি, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *