০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home কলকাতা হিমন্তের পথেই শুভেন্দু! বাংলায় আসছে ডিলিমিটেশন? বিধানসভার আসন পুনর্বিন্যাস নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর বড় ঘোষণা!
কলকাতাপশ্চিমবঙ্গ

হিমন্তের পথেই শুভেন্দু! বাংলায় আসছে ডিলিমিটেশন? বিধানসভার আসন পুনর্বিন্যাস নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর বড় ঘোষণা!

Share
হিমন্তের পথেই শুভেন্দু! বাংলায় আসছে ডিলিমিটেশন? বিধানসভার আসন পুনর্বিন্যাস নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর বড় ঘোষণা!
ছবি: সংগৃহীত
Share

কলকাতা: অসমে হিমন্ত বিশ্বশর্মা যা করে দেখিয়েছেন, এবার কি সেই পথেই হাঁটতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার? শুক্রবার বিধানসভার অধিবেশনে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর একটি মন্তব্য ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। খোদ মুখ্যমন্ত্রীর মুখেই শোনা গেল ‘ডিলিমিটেশন’ বা আসন পুনর্বিন্যাসের কথা। রাজনৈতিক মহলের ধারণা, এর ফলে আগামী দিনে বাংলার বিধানসভা আসনের সংখ্যা যেমন বাড়তে পারে, তেমনই বদলে যেতে পারে বহু কেন্দ্রের সমীকরণ।

[TECHTARANGA-POST:9148]

এদিন স্পিকার নির্বাচনের পর বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বিধানসভা ভবনের সংস্কার ও আধুনিকীকরণের উপর জোর দেন। ঠিক সেই মুহূর্তেই তিনি আসন পুনর্বিন্যাসের প্রসঙ্গ টেনে আনেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আগামী দিনে অনেক সংস্কারের প্রয়োজন আছে। ডিলিমিটেশন হয়ে গেলে হয়তো আসন সংখ্যা অনেক বেড়ে যাবে। সেক্ষেত্রে আমাদের নতুন ভবন তৈরি করার দরকার পড়তে পারে।” মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যকে স্রেফ পরিকাঠামো উন্নয়নের কথা হিসাবে দেখছেন না বিশ্লেষকরা। তাঁদের মতে, এটি রাজ্যের নির্বাচনী মানচিত্র বদলে দেওয়ার একটি সুপরিকল্পিত ইঙ্গিত।

[TECHTARANGA-POST:9147]

২০২৩ সালে অসমে মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার নেতৃত্বে আসন পুনর্বিন্যাস প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছিল। বিরোধীদের অভিযোগ ছিল, সেই প্রক্রিয়ার ফলে সেখানে সংখ্যালঘু ভোটের গুরুত্ব অনেকটাই কমে গিয়েছে। যেসব আসনে সংখ্যালঘুরা নির্ণায়ক ভূমিকা নিতেন, তার সংখ্যা ৩৫ থেকে কমে ২২-এ দাঁড়িয়েছে। যার ফলশ্রুতিতে ২০২৬-এর নির্বাচনে বিরোধীরা বিশেষ সুবিধা করতে পারেনি। ওয়াকিবহাল মহলের প্রশ্ন, শুভেন্দু অধিকারীও কি বাংলায় একই ‘মডেল’ প্রয়োগ করে বিরোধী ভোটব্যাঙ্কে ধস নামাতে চাইছেন?

[TECHTARANGA-POST:9146]

নিয়ম অনুযায়ী, লোকসভার আসন পুনর্বিন্যাসের জন্য সংসদের কড়া নিয়ম থাকলেও বিধানসভার ক্ষেত্রে প্রক্রিয়াটি কিছুটা ভিন্ন। রাষ্ট্রপতির অনুমতি নিয়ে রাজ্য সরকার কমিশন গঠন করতে পারে এবং সেই কমিশনের রিপোর্ট বিধানসভায় পাশ করিয়ে নিতে হয়। বর্তমানে শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকারের হাতে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে। ফলে, রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকলে এই ডিলিমিটেশন বিল পাশ করাতে আইনি কোনও বাধার মুখে পড়তে হবে না শাসকদলকে।

[TECHTARANGA-POST:9144]

যদিও বিজেপির নির্বাচনী সংকল্পপত্রে এর সরাসরি উল্লেখ ছিল না, তবুও অধিবেশনের শুরুতেই মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্য আগামী দিনের বড় কোনও পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *