০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home কলকাতা নন্দনে রূপা-রুদ্রনীলকে পাশে বসিয়েই তৃণমূলের পোস্টার সংস্কৃতি নিয়ে বিস্ফোরক শিলাজিৎ
কলকাতাপশ্চিমবঙ্গবিনোদন

নন্দনে রূপা-রুদ্রনীলকে পাশে বসিয়েই তৃণমূলের পোস্টার সংস্কৃতি নিয়ে বিস্ফোরক শিলাজিৎ

Share
নন্দনে রূপা-রুদ্রনীলকে পাশে বসিয়েই তৃণমূলের পোস্টার সংস্কৃতি নিয়ে বিস্ফোরক শিলাজিৎ
ছবি: সংগৃহীত
Share

কলকাতা: নন্দনের মতোন বিশুদ্ধ সাংস্কৃতিক পরিসর কিংবা কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের মঞ্চে কেন বারবার সারি দিয়ে রাজনৈতিক নেতা-মন্ত্রীদের ছবির দাপট দেখা যাবে? অতীতে এই প্রশ্ন তুলেই তৎকালীন শাসকদলের তীব্র বিরাগভাজন হয়েছিলেন পরিচালক অনীক দত্ত, যার খেসারত দিতে হয়েছিল তাঁর সিনেমাকে। এবার ছাব্বিশের মে মাসে এসে রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের আবহে সেই একই জ্বলন্ত ইস্যুতে সরাসরি নন্দনে দাঁড়িয়েই বিস্ফোরক সুর চড়ালেন স্পষ্টভাষী গায়ক ও অভিনেতা শিলাজিৎ মজুমদার। 

[TECHTARANGA-POST:9214]

রবিবার দুপুরে ‘প্রত্যাবর্তন’ এবং ‘দ্য অ্যাকাডেমি অফ ফাইন আর্টস’-এর শিল্পীদের যৌথ সাংবাদিক বৈঠকে বিজেপির দুই তারকা বিধায়ক রূপা গঙ্গোপাধ্যায় এবং রুদ্রনীল ঘোষের পাশে বসেই তৃণমূল জমানার ‘পোস্টার সংস্কৃতি’র বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন তিনি। টলিউডে ‘বিশ্বাস ব্রাদার্স’-এর ক্ষমতার আস্ফালনের অবসান এবং সবুজ দুর্গ ধসে যাওয়ার প্রসঙ্গ টেনে শিলাজিৎ সোজাসুজি বলেন, “বাইপাস দিয়ে যাওয়ার সময় নেতা-মন্ত্রীদের ছবি দেখতে দেখতে আমার অসহ্য লাগত, বুকে ব্যথা হত! প্রতিটা এলাকার কাউন্সিলরদের ছবি দিয়ে মোড়া থাকত চারপাশ। 

[TECHTARANGA-POST:9187]

অতীতে এই নিয়ে মুখ খোলার অপরাধেই আমাকে নন্দন বা ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে ডাকা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল।” তাঁর এই মন্তব্যের মাঝেই পাশে বসা রূপা গঙ্গোপাধ্যায় হেসেই খুন হন এবং জানান, তিনি নিজে গাড়ি থেকে নেমে একদিন গুনে বাইপাসে ৩২টি রাজনৈতিক ছবি দেখেছিলেন। ঠিক তখনই রূপার মুখের কথা কেড়ে নিয়ে নতুন সরকারের উদ্দেশ্যে শিলাজিৎ কড়া বার্তা দেন, “প্লিজ তোদের দলকেও (বিজেপি) বলিস, এগুলো যেন বন্ধ হয়। এই মুখগুলো দেখতে সত্যি অসহ্য লাগে!” 

[TECHTARANGA-POST:9150]

এরপরই অনুজ রুদ্রনীল ঘোষের দিকে তাকিয়ে স্বভাবসিদ্ধ রসিকতার সুরে শিলাজিৎ জানিয়ে দেন, “আমি যদি কোনওদিন তোরও নমস্কার করা হোর্ডিং সারি দিয়ে দেখতে পাই, আমি কিন্তু তখনও প্রতিবাদ করতে ছাড়ব না।” শিলাজিতের এই চরম স্পষ্টবাদিতাকে সমর্থন জানিয়ে রুদ্রনীলও খোঁচা দিয়ে বলেন, একসময় নন্দনে কিছু মানুষের অসংখ্য ছবি লাগানো থাকত, অথচ ভালো সিনেমাই মুক্তি পেত না। গায়কের এই বিস্ফোরক ও মনখোলা মন্তব্য ঘিরে ইতিমধ্যেই তোলপাড় শুরু হয়েছে টলিপাড়া থেকে রাজ্য রাজনীতির অন্দরে।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *